কাঠমান্ডুতে নিহত ২৩ বাংলাদেশির জানাজা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১৯, ২০১৮

কাঠমান্ডুতে নিহত ২৩ বাংলাদেশির জানাজা অনুষ্ঠিত

নেপালের কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজ বিধ্বস্তে নিহত ২৬ জনের মধ্যে শনাক্ত হওয়া ২৩ বাংলাদেশির প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার সকালে কাঠমান্ডুর বাংলাদেশ দূতাবাসে তাদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছেন ইউএস-বাংলার মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম।

তিনি জানান, সকাল সাড়ে আটটার দিকে মরদেহগুলো বাংলাদেশ দূতাবাসে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে নয়টার দিকে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজায় নিহতদের স্বজন ছাড়াও সাংবাদিক, দূতাবাস ও এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তারা জানাজায় শরিক হন। এ সময় নেপাল সরকারের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, নেপালের কাঠমান্ডু থেকে বিমান বাহিনীর একটি বিমানে সোমবার বিকালে লাশগুলো ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, বিমান বাহিনীর একটি বিমানে মরদেহগুলো দেশে আনা হবে।

বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টারমাক-১ এ অবতরণ করবে। সেখান থেকে মরদেহগুলো সরাসরি নিয়ে যাওয়া হবে আর্মি স্টেডিয়ামে।

ইউএস-বাংলার মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম বলেন, ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে বিকেল ৪টায়। পরে লাশগুলোকে আর্মি স্টেডিয়ামে নিয়ে জানাজা হবে এবং সেখান থেকে লাশগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

যেসব বাংলাদেশির লাশ ফিরছে সোমবার। তারা হলেন- ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজের পাইলট ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতান, কো-পাইলট পৃথুলা রশীদ, কেবিন ক্রু খাজা সাইফুল্লাহ, কেবিন ক্রু শারমিন আক্তার নাবিলা, যাত্রী অনিরুদ্ধ জামান, তাহিরা তানভীন শশী, উম্মে সালমা, মিনহাজ বিন নাসির, রাকিবুল হাসান, মতিউর রহমান, রফিক উজ জামান, এফএইচ প্রিয়ক, আখি মনি, তামারা প্রিয়ন্ময়ী, আকতার বেগম, হাসান ইমাম, এসএম মাহমুদুর রহমান, ফয়সাল আহমেদ, সানজিদা হক, বিলকিস আরা, নাজিয়া আফরিন চৌধুরী, বেগম হারুন নাহার বিলকিস বানু, মো. নুরুজ্জামান।

নিহত ২৬ জনের মধ্যে যে তিন জনের লাশ শনাক্ত করা যায়নি। তারা হলেন, আলিফউজ্জামান, মো. নজরুল ইসলাম ও পিয়াস রয়।

১২ মার্চ কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার ড্যাস ৮ কিউ ৪০০ উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় ৪ ক্রুসহ বিমানের ৭১ জনের সবাই হতাহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ২৬ বাংলাদেশি, ২২ নেপালি ও ১ জন চীনাসহ ৪৯ জন নিহত হন। আর ১০ বাংলাদেশি, ৯ নেপালি ও ১ মালদ্বীপের নাগরিকসহ ২০ জন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের কাঠমান্ডুর তিনটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। আর নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ নেওয়া হয় টিচিং হাসপাতালের মর্গে।

  •