সকল দপ্তরে বাংলা চালু রাখা’র আহবান তথ্যমন্ত্রীর

প্রকাশিত: ৬:৩৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৮

সকল দপ্তরে বাংলা চালু রাখা’র আহবান তথ্যমন্ত্রীর

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ‘শুদ্ধ উচ্চারণ ও সঠিক বানানে সকল দপ্তরে বাংলা চালু রাখা’র আহবান জানিয়েছেন।

তিনি শুক্রবার ঢাকায় নায়েম মিলনায়তনে বাংলা ভাষা শিক্ষক পর্ষদ আয়োজিত ‘বেঁচে থাকি বাংলা ভাষা’ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ আহবান জানান।

ইনু বলেন, সাংস্কৃতিক ঘাটতি পূরণে পরিচয় সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আর সেজন্য ভাষার ওপর শক্তভাবে দাঁড়াতে হবে। বঙ্গবন্ধুকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘মনে রাখতে হবে আমরা প্রথমে মানুষ, তারপর বাঙালি, তারপর ধর্মীয় পরিচয়।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, জঙ্গি-সাম্প্রদায়িক চক্র ভাষাকে সাম্প্রদায়িক রূপ দেয়ার যে চক্রান্তে লিপ্ত, সে বিষয়েও সজাগ থাকতে হবে।

‘ভাষামিশ্রণ বা বাংলিশের অশ্লীলতা পরিহার করে বাঙালিয়ানা চর্চা করুন,’ সকল গণমাধ্যম বিশেষ করে এফএম বেতার কেন্দ্রগুলোর উদ্দেশে বলেন ইনু।

আয়োজক পর্ষদ সভাপতি ড. আয়েশা বেগমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে অধ্যাপক পান্না কায়সার, ড. অজয় দাশগুপ্ত, জাপানী লেখক নাওমি ওয়াতানাবে এবং আলোচক অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকী সেমিনারে বাংলা ভাষার বিকাশে সকলকে মমতা নিয়ে কাজ করার আহবান জানান।

গণতন্ত্র নয়, রাজাকার উদ্ধার আন্দোলন করবে বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী
গণতন্ত্র উদ্ধার নয়, রাজাকার উদ্ধার আন্দোলন করবেন বিএনপি, সংলাপের মুখোশ পরে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

রবিবার সকাল ১০টায় কুষ্টিয়া সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পরে তথ্যমন্ত্রীকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। এসময় তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার নির্বাচনে ভয় পেলে নির্বাচনই দিতো না। সংবিধানুযায়ী যখন যে নির্বাচন করার সময় তখন সে নির্বাচন বাংলাদেশে হচ্ছে। দুনিয়া উল্টে গেলেও সকল প্রকার নির্বাচন যথাসময়ে হবে।’

হাসানুল হক ইনু বলেন,‘২০১০ সালে নির্বাচনের আগে বিএনপি যে কথা বলেছিলো, ২০১৮ সালের শুরুতেও একই কথা বলছে। বরং বিএনপি জাতীয় নির্বাচনের আগে সহায়ক সরকারের কোনো রুপরেখা না দিয়ে সারাদেশে হত্যা, খুন, সংঘর্ষ ও তাণ্ডব চালিয়েছে। এটা বিএনপির চক্রান্ত ও রহস্যের রাজনীতি।’

তিনি বলেন, ‘আট বছর ধরে সহায়ক সরকারের কোনো রুপরেখা, সাংবিধানিক ব্যবস্থা বা স্থায়ী কোনো সমাধানের প্রস্তাব বিএনপি জাতির কাছে উত্থাপন করতে পারেনি।’। ২০১৪ সালে নির্বাচন বানচাল করে তারা একটি অস্বাভাবিক সরকার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিল।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়েছে, তাদের লক্ষ্য খুবই পরিষ্কার। গণতন্ত্র উদ্ধারের কথাটি তাদের শুধুই মুখের কথা। আসল কথাটা হলো, গণতন্ত্র উদ্ধারের নামে তারা খালেদা জিয়াকে নিয়ে রাজাকার, জঙ্গি, যুদ্ধাপরাধী এবং জামায়াতকে রক্ষা ও উদ্ধারের আন্দোলন করবেন। গণতন্ত্র উদ্ধার নয়, রাজাকার উদ্ধার আন্দোলন করবেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ।’

এ সময় ইনু আরো বলেন, ‘গণতন্ত্র উদ্ধারের নামে খালেদা জিয়াকে মামলা থেকে বাঁচানোর আন্দোলনও সফল হবে না।’ ইনু বলেন, ‘বেগম জিয়াই গণতন্ত্র, সামরিকতন্ত্র আর ধর্মতন্ত্রের একটু করে নিয়ে জোড়াতালির খিচুড়িতন্ত্রের ধারক-বাহক। সেকারণেই গণতন্ত্রের রাজনীতিতে তিনি পরিত্যাজ্য’।

কুষ্টিয়া সার্কিট হাউসে এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরানী ফেরদৌস দিশা, জেলা জাসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান মিরপুর উপজেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী, জেলা জাসদের যুগ্ম সম্পাদক জিল্লুর রহমানসহ জাসদ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।