হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি

সিলেট বিভাগ

সিলেটে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ
সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে যুবলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজির জন্য সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ এমন অভিযোগ করেছে। সংগঠনের নেতারা টার্মিনালে অপতৎপরতা বন্ধ, হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেল (বুধবার ) সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে মুক্তিযোদ্ধা সেলিম আহমদ ফলিক এসব অভিযোগ করে বলেন, চাঁদাবাজরা যুবলীগের নেতৃত্বে থাকলে আওয়ামী লীগের সুনাম ক্ষুন্ন হবে। এ ব্যাপারে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃস্টি কামনা করেন। তিনি বলেন-কদমতলী বাস-টার্মিনালের জন্ম লগ্ন থেকে পরিবহনের মালিক-শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে সড়ক যোগাযোগ রক্ষা করে আসছে। বাস টার্মিনালে বাইরের স্বার্থন্বেষী লোকেরা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করছে যা সিলেটবাসী অবগত রয়েছেন।
নিজেদের শান্তিপ্রিয় পরিবহন মালিক-শ্রমিক দাবি করে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বাস টার্মিনালে হামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে চাঁদাবাজরা সংবাদ সম্মেলনে যে অভিযোগ উত্থাপন করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিত। চাঁদা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে পরিবহন সেক্টরতেক অশান্ত করার লক্ষ্যে সিলেটের পরিবহন সেক্টরের সর্বোচ্চ শ্রমিক সংগঠন সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম এবং সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সেলিম আহমদ ফলিক গং দের হত্যার উদ্দেশ্যে আগ্নেয়াস্্র সহ গত ১৭ অক্টোবর দুপুরে সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। এলাপাতাড়ি গুলি ছুড়ে ত্রাসের সৃষ্টি করে।
বক্তব্যে বলা হয়, তাজমহল রেষ্টুরেন্টের বৈধ মালিক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম। তিনি পৃথকভাবে লিজ নিয়ে ব্যবসা করছেন আবুল কালাম। এখানে বাস টার্মিনালের লিজের কোন সম্পর্ক ও নেই। তা ছাড়া যে, মিছবাহ উদ্দিন তালুকদারের নাম ভাঙ্গিয়ে তাঁরা নিজেদেরসহ মালিকানা প্রমাণ করার অপচেষ্টা করছে তা ও ভিত্তিহীন। কেননা স্বয়ং মিছবাহ উদ্দিন তালুকদা থানায় জিডি করে বলেছেন (জিডিনং ১০১৭ তাং ২২/১০/১৭) তিনি বিগত বছর লিজ গ্রহীতা ছিলেন। বর্তমানে তিনি লিজ গ্রহীতা নেই। তাঁর নাম ভাঙ্গিয়ে যে কোন কিছুর সাথে তিনি জড়িত নন। মিছবাহ উদ্দিন জিডিতে উল্লেখ করেছেন তিনি বাস টার্মিনালের ২০১৬-২০১৭ ইং অর্থ বছরের একক ইজারাদার ছিলেন। বর্তমানে অন্য লোক কতমতলী বাস টার্মিনাল লিজ গ্রহণ করায় তিনি বাস টার্মিনাল থেকে চলে গেছেন।
ফলিক বলেন, বাস টার্মিনালকে সকল ধরণের অপরাধমূলক কর্মকান্ড থেকে মুক্ত রাখার জন্য বর্তমান ইজারাদার দিগুন পরিমাণ টাকা দিয়ে লিজ গ্রহণ করা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলা হয়, এখানে জনসাধারণকে জিম্মী বা চাঁদাবাজির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বাস্তবতা বহির্ভূত। আমরা সিলেট বাসীর সেবা করে যাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিলেট পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন লস্কর, সহ সভাপতি আব্দুর রহিম, ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুস সালাম, সিলেট জেলা সড়ক পরিবহক মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিরণ মিয়া টেম্পু শ্রমিক ইউনিয়েনের সাধারণ সম্পাদক ইনসান আলী প্রমূখ।

 

 

 

Leave a Reply