মায়ানমারের কাছে অস্ত্র বিক্রি করে যেসব দেশ

আন্তর্জাতিক

নাইপেদো: রাশিয়া এবং চীনের কাছ থেকেই সবচেয়ে বেশি অস্ত্র কেনে মায়ানমারের সেনাবাহিনী। এ ছাড়া ভারত, ইসরায়েল, ইউক্রেন থেকেও অস্ত্র  কেনে মায়ানমার। ১৯৯০ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত আল-জাজিরার এক বিশ্লেষণে এ তথ্য বেরিয়ে আসে।

এরমধ্যে চীনের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যুদ্ধবিমান কিনেছে মায়ানমার। দেশটি থেকে ১২০টি যুদ্ধবিমান কিনেছে তারা। এছাড়া রাশিয়া থেকে ৬৪টি, পোল্যান্ড থেকে ৩৫টি, জার্মানি থেকে ২০টি, সাবেক যুগোস্লাভিয়া থেকে ১২টি, ভারত থেকে ৯টি, সুইজারল্যান্ড থেকে ৩টি ও ডেনমার্ক থেকে ১টি যুদ্ধবিমান কিনেছে মায়ানমার সেনাবাহিনী।

এদিকে মায়ানমারে কাছে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহকারী দেশ হিসেবে এগিয়ে রয়েছে রাশিয়া। কারণ এই সময় পর্যন্ত মায়ানমারে সবচেয়ে বেশি ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহকারী দেশ হলো রাশিয়া।  রাশিয়া থেকে মায়ানমার ২ হাজার ৯৭১টি ক্ষেপণাস্ত্র কিনেছে।

এছাড়া চীনের কাছ থেকে কিনেছে ১ হাজার ২৯টি ক্ষেপণাস্ত্র। বেলারুশ থেকে ১০২টি, বুলগেরিয়া থেকে ১০০টি ও ইউক্রেন থেকে ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র কিনেছে মায়ানমার। ২৬ বছরে নৌজাহাজ কিছুটা কম কিনেছে মায়ানমার। ২১টি নৌজাহাজ কিনেছে চীন থেকে।

সাবেক যুগোস্লাভিয়া থেকে তিনটি ও ভারত থেকে কিনেছে তিনটি নৌজাহাজ। সাঁজোয়া যানও চীন থেকে সবচেয়ে বেশি কিনেছে মায়ানমার। ৬৯৬টি সাঁজোয়া যান কিনেছে চীন থেকে। ইসরায়েল থেকে ১২০টি, ইউক্রেন থেকে ৫০টি ও ভারত থেকে কিনেছে ২০টি সাঁজোয়া যান।

এদিকে মায়ানমারের কাছে সবচেয়ে বেশী কামান সরবরাহ করেছে চীন। দেশটি থেকে তারা ১২৫টি কামান কিনেছে। এরপর সার্বিয়া থেকে ১২০টি, রাশিয়া থেকে ১০০টি, ইসরায়েল থেকে ২১টি, উত্তর কোরিয়া থেকে ১৬টি ও ভারত থেকে ১০টি কামান কিনেছে মায়ানমার।

Leave a Reply