ঢাকা-১২ আসনে “ধানের শীষ” প্রতীকে নির্বাচন করার প্রস্তুুতি নিচ্ছেন যুবদল সভাপতি নীরব

প্রকাশিত: ১:৫২ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১১, ২০১৭

ঢাকা-১২ আসনে “ধানের শীষ” প্রতীকে নির্বাচন করার প্রস্তুুতি নিচ্ছেন যুবদল সভাপতি নীরব

ঢাকা-১২ সংসদীয় আসন থেকে বিএনপি’র “ধানের শীষ” প্রতীক নিয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি সাইফুল আলম নীরব। দলীয় সবুজ সংকেতও পেয়েছেন। বিএনপি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের প্রত্যেকটি আসনের জন্য তিনজন করে যে প্রার্থী বাছাই করে রেখেছে তাতে ঢাকা- ১২ সংসদীয় আসনে থেকে যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নীরব সর্বাগ্রেই আছেন।
১৯৮২ সালে তেজগাঁও পলিটেকনিক বয়েজ স্কুলে অধ্যয়নরত অবস্থায় সাইফুল আলম নীরব শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী আদর্শের পতাকাতলে সামিল হন। ঢাকা সিটি কলেজের সাবেক এই মেধাবী ছাত্র নীরব ১৯৮৩ সালে তেজগাঁও থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক পরে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এবং ১৯৯০ সালে তেজগাঁও থানা ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। স্বৈরাচার বিরোধী গণ-আন্দোলনে অসীম সাহসী ভূমিকার জন্য সবার অগ্রে চলেন আসেন তিনি এবং অবিভক্ত ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন- ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের প্রত্যক্ষ ভোটে। সাইফুল আলম নীরব পরবর্তীতে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য, ক্রীড়া সম্পাদকসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন এবং ঢাকা মহানগর বিএনপির সহ সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন এই নেতা।
অর্পিত সকল দায়িত্ব সততা, মেধা, পরিশ্রম ও দুরদর্শিতার সঙ্গে পালনের স্বীকৃতি স্বরূপ সাইফুল আলম নীরবকে ২০০৩ সালে যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমান। ২০১০ সালে কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও ২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারি যুবদলের সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত করা হয় রাজপথ থেকে তিলেতিলে বেড়ে ওঠা ছাত্রদলের এই সোনালী ফসল নীরবকে।
তেজগাঁওতেই সাইফুল আলম নীরবের জন্ম। বেড়ে ওঠা। রাজনীতির হাতেখড়ি এখান থেকে। এখানেই তার শিকর। তার ভিত্তিভূমি। ঢাকা-১২ আসনের মাটি ও মানুষের সঙ্গে তার আত্মার নিবিড় সম্পর্ক। কারন সুখে-দুঃখে সবসময় তিনি এখানে কাটিয়েছেন এবং আজো তিনি ঠিক আগের মতই এখানকার মাটি ও মানুষের প্রতি মমতামাখা।
৯০’র স্বৈরাচার বিরোদী গণ-আন্দোলন, ৯৬’র শেখ হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে বারবার কারারুদ্ধ হয়েছেন নীরব তবুও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অম্লান আদর্শ থেকে কোনো অপশক্তি তাকে বিচ্যুত করতে পারেনি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের তরে সর্বদা নিবেদিত এই যুবনেতা।
১/১১ কালো সরকারের সময়ে যখন বিএনপিকে ছেড়ে অনেক নেতা সংস্কারে নাম লিখিয়েছিলেন, বিএনপিকে বিনাশ করতেও যখন অনেক নেতা হাত মিলিয়েছিলেন উদ্দিনীয় কালো সরকারের সঙ্গে তখনও নীরব দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি ছিলেন গভীর আস্হাশীল।
বর্তমানে ২১৬টি রাজনৈতিক মামলা রয়েছে সাইফুল আলম নীরবের বিরুদ্ধে। তবু অসীম সাহসে বিএনপি’র চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিটি কর্মসূচিতে রাজপথে সরব আছেন তিনি। একটি দুর্বার যুব- আন্দোলন গড়ে তুলে ফ্যাসিবাদী বিনাভোটের অবৈধ সরকারকে হটিয়ে দেশে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন এই নেতা।
ঢাকা-১২ আসনে তাই সাইফুল আলম নীরবই যে সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থী এখানকার সর্বস্তরের মানুষের তা বিশ্বাস। ঢাকা-১২ আসনের জনগণ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন তাকে ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই।
দেশে যদি একটি অবাধ-সুষ্ঠু ও দেশ-বিদেশে গ্রহনযোগ্য নির্বাচনের পথ তৈরী হয় তবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১২ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী হিসাবে সাইফুল আলম নীরবই যে নির্বাচন করছেন তা বলা যায়। এই আসনের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে নানাবয়সী মানুষের সঙ্গে কথা বলে এই তথ্য ই পাওয়া গেছে।
বিএনপির হাইকমান্ডও নিশ্চিত করেছে যুবদল সভাপতি- সাইফুল আলম নীরবই ঢাকা-১২ আসনে ( রমনা- তেজগাঁও- শিল্পাঞ্চল- শেরেবাংলা নগর) বিএনপির প্রার্থী।

  •