মেয়েকে সেফ হোমে, মাকে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠানোর নির্দেশ

প্রকাশিত: ৩:০৯ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ৮, ২০১৭

মেয়েকে সেফ হোমে, মাকে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠানোর নির্দেশ

বগুড়া : বগুড়ায় ধর্ষণের শিকার কলেজছাত্রীকে রাজশাহীর সেফ হোমে এবং নির্যাতনের শিকার তার মাকে রাজশাহীর ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

সোমবার দুপুরে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর তাদের আদালতে হাজির করলে বগুড়ার শিশু আদালতের বিচারক মো. ইমদাদুল হক এ নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার ওসি অপরাশেন আব্দুল কালাম আজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, বিচারক মো. ইমদাদুল হক মা ও মেয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে বগুড়া জেল সুপারের মাধ্যমে মেয়েকে রাজশাহীর সেফ হোমে ও মাকে রাজশাহীর ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে নিরাপদ স্থানে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মা ও মেয়ে অবশ্য সেফ হোম ও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে যেতে রাজি ছিলেন না। তাদের দাবি ছিল তারা ঢাকায় আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেবেন।

তবে মেয়ের বাবা ইয়াকুব আলী সোহাগ মা ও মেয়েকে নিরাপত্তা দানে অপারগতা জানালে আদালত এ নির্দেশ দেয়।

আদালতে মা ও মেয়ের নিরাপত্তার বিষয়ে শুনানিতে অংশ নেন শিশু আদালতের স্পেশাল পিপি মো. আমানুল্লাহ ও নারী ও শিশু আদালতে স্পেশাল পিপি আশিকুর রহমান সুজন।

উল্লেখ্য, গত ১৭ জুলাই বিকেলে ওই ছাত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে বগুড়ার শহর শ্রমিক লীগের নেতা তুফান সরকার। পরে তুফান সরকারের স্ত্রী আশা সরকার এবং তার বড় বোন নারী কাউন্সিলর এবং তুফানের ক্যাডাররা ধর্ষণের শিকার মেয়েটি ও তার মায়ের ওপর নির্যাতন চালায়। এরপর দুজনেরই মাথা ন্যাড়া করে দেয়। এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর মা বাদী হয়ে গত ২৮ জুলাই রাতে মামলা করেন। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত নয়জনসহ মোট ১১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

  •