আ,লীগের তহবিলে জমা ২৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা

প্রকাশিত: ৩:১৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ৩১, ২০১৭

আ,লীগের তহবিলে জমা ২৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা

আওয়ামী লীগের ব্যাংক একাউন্টে বর্তমানে ২৫ কোটি ৫৮ লাখ ১১ হাজার ৪৪১ টাকা জমা রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রাজ্জাক।

সোমবার নির্বাচন কমিশনে আওয়ামী লীগের ২০১৬ সালের আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবরণী জমা দিতে গিয়ে তিনি এই তথ্য জানান।

বিবরণীতে বলা হয়, ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগের আয় হয়েছে চার কোটি ৮৪ লাখ ৩৪ হাজার ৯৭ টাকা। আর ব্যয় হয়েছে তিন কোটি ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৯৯ টাকা।

এই হিসেবে এক বছরে দলের তহবিলে যোগ হয়েছে এক কোটি ৮২ লাখ ৪৯ হাজার ২৯৯ টাকা। আর আগের জমা মিলিয়ে বর্তমানে আওয়ামী লীগের তহবিলে আছে ২৫ কোটি ৫৮ লাখ ১১ হাজার ৪৪১ টাকা।

২০১৫ সালের যে হিসাব বিবরণী আওয়ামী লীগ গতবছর জমা দিয়েছিল, তাতে ৭ কোটি ১১ লাখ ৬১ হাজার ৩৭৫ টাকা আয়ের বিপরীতে ব্যয় দেখানো হয়েছিল ৩ কোটি ৭২ লাখ ৮১ হাজার ৪৬৯ টাকা।

আর ভোটের বছর ২০১৪ সালে নয় কোটি ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪৩ টাকা আয়ের বিপরীতে ৩ কোটি ৪৪ লাখ ৪০ হাজার ৮২১ টাকা ব্যয়ের তথ্য দিয়েছিল টানা সাড়ে আট বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা দলটি।

পরে ড. আব্দুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের বলেন, আওয়ামী লীগের তহবিলের বড় একটি অংশ ব্যাংকে স্থায়ী আমানত হিসেবে জমা রাখা হয়েছে। বাকি একটি অংশ নিয়মিত ব্যয়ের জন্য রাখা হয়। এ বছর ব্যাংকে আমানত রেখে লাভ হয়েছে ১ কোটি ২৪ লাখ ৬৪ হাজার ৭৯৬ টাকা।

আওয়ামী লীগের ব্যাংক একাউন্টে বর্তমানে ২৫ কোটি ৫৮ লাখ ১১ হাজার ৪৪১ টাকা জমা রয়েছে।

দলের আয়ের উৎস হিসেবে দেখানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ, জাতীয় কমিটি, সহ-সম্পাদক, কেন্দ্রীয় উপ-কমিটি, প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ ফি, সংসদ সদস্য, উপ-নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম বিক্রি, অনুদান এবং ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত অর্থ।

ব্যয়ের খাত হিসেবে দেখানো হয়েছে, কর্মচারীদের বেতন, বোনাস, আপ্যায়ন ও অন্যান্য খরচ, কেন্দ্রীয় জনসভা, নির্বাচনী অফিস ব্যয়, পত্রিকা প্রকাশনা ও ত্রাণ কার্যক্রম।

হিসাব জমার পর আবদুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের তহবিলের বড় একটি অংশ আমরা ব্যাংকে স্থায়ী আমানত হিসেবে জমা রাখি। বাকি একটি অংশ নিয়মিত ব্যয়ের জন্য রেখে দেই। এ বছর আমরা ব্যাংকে আমানত রেখে সুদ পেয়েছি এক কোটি ২৪ লাখ ৬৪ হাজার ৭৯৬ টাকা।

ব্যাংক আমানতের সুদ ছাড়াও দলের কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদ, জাতীয় কমিটি, সহ-সম্পাদক, কেন্দ্রীয় উপ-কমিটি ও প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহের ফি এবং সংসদ সদস্য, উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বিক্রি, অনুদান এবং ব্যাংক থেকে পাওয়া অর্থকে দলের আয়ের উৎস হিসেবে দেখানো হয়েছে হিসাব বিবরণীতে।

আর ব্যয়ের খাত হিসেবে কর্মচারীদের বেতন, বোনাস, আপ্যায়ন ও অন্যান্য খরচ, কেন্দ্রীয়/জনসভা, নির্বাচনী অফিস ব্যয়, পত্রিকা প্রকাশনা এবং ত্রাণ কার্যক্রমের তথ্য দেওয়া হয়েছে।

অন্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, উপ দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া ছিলেন এই প্রতিনিধি দলে।

  •