ইউপি সদস্য মিসবাহ ষড়যন্ত্রের শিকার

প্রকাশিত: ১:০০ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২৪, ২০১৭

ইউপি সদস্য মিসবাহ ষড়যন্ত্রের শিকার

বিয়ানীবাজার উপজেলার ৪ নং শেওলা ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আক্তার হোসেন মিসবাহ গ্রাম্য রাজনীতির গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার। তার বিরুদ্ধে ত্রান বিতরণে অনিয়মের মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে বলে তিনির স্বাক্ষরিত এক প্রেস-বিজ্ঞপ্তিতে তা উল্লেখ করেন। প্রেস-বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, গত বছরের ৪ জুনের উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে ৪নং শেওলা ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের ভালবাসা ও অনুপ্রেরণায় ইউপি সদস্য হিসেবে তিনি জয়লাভ করেন। ইউপি সদস্য হিসেবে জয়লাভের পর থেকে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে আসছেন। বিভিন্ন সময়ে আসা সরকারী অনুদান ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের মাঝে সঠিকভাবে বণ্টন করে আসছেন। অসহায় দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের সুখে দঃুখে তিনি পাশে রয়েছেন। নির্বাচনে ইউপি সদস্য হিসেবে জয়লাভের পর থেকে এলাকার গুঠিকয়েক ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে সমাজ ও আইনের চোখে অপরাধী বানানোর জন্য অপচেষ্ঠা চালিয়ে আসছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আল্লাহর রহমতে তারা আজ পর্যন্ত তার কোনো ক্ষতি করতে পারেনি। ভবিষৎতে ও তারা তাদের উদ্দেশ্যে হাসিল করতে পারবেনা। কারণ তিনি সততা ও আদর্শের মধ্যে দিয়ে মানুষের সেবা করে আসছেন। সাধারণ মানুষের সেবা করার কারণে ঐ ষড়যন্ত্রকারীরা তা সহ্য করতে পারছেনা। এরই ধারাবাহিকতায় গত ০৩/০৫/২০১৭ ইং তারিখে সরকারী ত্রান বরাদ্ধ নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা নিরীহ কৃষকদের ফুসলিয়ে তার বিরুদ্ধে ত্রান বিতরণের অনিয়মের অভিযোগ এনে অপপ্রচার চালাচ্ছে। গত ০৩/০৫/২০১৭ ইং তারিখে সরকার থেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ৩৬ জন কৃষকের মাঝে প্রত্যেক কৃষককে ৩০ কেজি করে চাল ও নগদ ৫০০ টাকা করে বিতরণ করা হয়। চাল ও টাকা বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন খোদ ইউপি চেয়ারম্যান জহুর উদ্দিন ও সমবায় পল্লী উন্নয়নের সরকারী কর্মকর্তা আব্দুর রহমান। এখানে কোনো ধরণের অনিয়ম কিংবা দুনীর্তি করা হয়নি। প্রেস-বিজ্ঞপ্তি

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট