গুম গুপ্ত বন্দিশালা বন্ধ করুন

প্রকাশিত: ১:৫১ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৭, ২০১৭

গুম গুপ্ত বন্দিশালা বন্ধ করুন
বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে কয়েক শ মানুষকে গুম আর গোপন আটকের অভিযোগ এনেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডাব্লিউ)। সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ কথা জানা গেছে। ২০১৩ সাল থেকে তাদের অবৈধভাবে আটক এবং গোপন স্থানে রাখার অভিযোগ তুলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার হয় এসব অভিযোগ নাকচ করে আসছে, অথবা অভিযোগের বিপরীতে নীরব ভূমিকা পালন করছে। অভিযোগের তদন্ত, নিখোঁজদের পরিবারের কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা সরবরাহ আর জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারকে তাগিদ দিয়েছে এইচআরডাব্লিউ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ‘নীরব’ অবস্থানেরও সমালোচনা করেছে সংস্থাটি। ন্যায়বিচার নিশ্চিতে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনকে তদন্তকাজে নিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে তারা। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়। বিশ্ব সংস্থাটি জানায়, বাংলাদেশ সরকারের উচিত অতিসত্বর এই প্রবণতা বন্ধ করে এসব অভিযোগের তদন্ত করা, নিখোঁজদের পরিবারের কাছে ব্যাখ্যা তুলে ধরা আর এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া। ৮২ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদনের শিরোনামÑ ‘তিনি আমাদের কাছে নেই : বাংলাদেশে গোপন আটক আর গুম’, যেখানে অন্তত ৯০ জনের তথ্য রয়েছে, যাদের শুধু ২০১৬ সালেই গুম করা হয়েছে। এদের মধ্যে বেশিরভাগকে এক সপ্তাহ বা এক মাস গোপন স্থানে আটকে রাখার পর আদালতে হাজির করা হয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের কাছে তথ্য রয়েছে যে, এ রকম আটক ২১ জনকে পরে হত্যা করা হয়েছে আর নয়জনের কোনো তথ্যই আর জানা যায়নি। এই ৯০ জনের তালিকায় মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসি কার্যকর হওয়া তিন বিরোধী নেতার তিন সন্তান রয়েছে, যাদের একজন ৬ মাস পরে ফিরে এসেছেন। বাকি তিনজনের এখনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। ২০১৭ সালের প্রথম পাঁচ মাসে এ রকম ৪৮ জনের নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে, বলছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। ‘নিখোঁজের বিষয়ে যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ থাকলেও বাংলাদেশের সরকার এ বিষয়ে আইনের খুব একটা তোয়াক্কা করছে না।’ বলছেন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডামস। তিনি বলছেন, ‘মানুষজনকে আটক করে তারা দোষী না নির্দোষ নির্ণয় করা, শাস্তি নির্ধারণ করা, এমনকি তারা বেঁচে থাকবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেয়ার মতাও যেন বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের দেয়া হয়েছে।’ : গুম ছাড়াও রাষ্ট্রীয় গোপন হেফাজতে মৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়ার একটি প্রবণতা ল করা গেছে বলে জানায় এইচআরডাব্লিউ। ওই প্রতিবেদনে বিরোধী বিএনপির ১৯ জন কর্মীর তথ্য রয়েছে, যাদের ২০১৪ সালের জানুয়ারির নির্বাচনের পূর্বে বিভিন্ন এলাকা থেকে তুলে নেয়া হয়। : প্রতিবেদন তৈরি করতে গিয়ে নিখোঁজ পরিবারের সদস্য ও প্রত্যদর্শীসহ এক শ জনের বেশি মানুষের সাাৎকার নিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। সেখানে পুলিশের কাছে করা অভিযোগ ও অন্যান্য আইনি কাগজপত্রও রয়েছে। সংস্থাটি বলছে, এসব অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা চাইলেও তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশের কর্তৃপ। : এ ধরনের ঘটনায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন এবং ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যদের, যে সংস্থা দুটির বিরুদ্ধে মতার অপব্যবহারের দীর্ঘ অভিযোগ রয়েছে। : ২০১৩ সালের ৫ জানুয়ারি আদনান চৌধুরীকে তুলে নিয়ে যায় র‌্যাবের সদস্যরা। তার বাবা রুহুল আমিন চৌধুরী সংস্থাটিকে বলছেন, তাদের বলা হয়েছিল, পরদিন র‌্যাব সদস্যরা তাদের ছেড়ে দেবে। : ‘তারা বললো, আমরা তাকে নিয়ে যাচ্ছি, আমরাই আবার তাকে ফেরত দিয়ে যাব। কিন্তু তারা আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে’, সংস্থাটিকে বলেছেন চৌধুরী। : প্রতিবেদনে বলা হয়, নিখোঁজ বিএনপি নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমনের পরিবারের কাছে একজন জ্যেষ্ঠ র‌্যাব কর্মকর্তা গোপনে জানিয়েছেন, সুমনসহ আরো পাঁচজন তার হেফাজতে ছিল। কিন্তু তিনি তাদের হত্যা করতে অস্বীকৃতি জানানোর পর অন্য র‌্যাব কর্মকর্তারা তাদের নিয়ে যান। তার ধারণা, এই ছয়জনের কেউ বেঁচে নেই। : যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই মানবাধিকার সংস্থাটি বলছে, এ ধরনের আটকের ঘটনা সব সময় অস্বীকার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সরকারি কর্মকর্তারাও তাদের এই দাবির সমর্থন দিয়ে আসছেন। বরং কখনো কখনো উল্টো বলা হয় যে, এসব ব্যক্তি নিজেরাই লুকিয়ে রয়েছেন। : হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, এ ধরনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও গ্রহণ করে না পুলিশ। : সংস্থাটি বলছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতার’ প্রতিশ্রুতি দিয়ে আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে মতায় আসে। কিন্তু বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুম এখনো চলছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৯ সাল থেকে মোট ৩২০টি নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। : হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, বাংলাদেশ সরকারের উচিত জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারকে এসব অভিযোগ তদন্ত করার আহবান জানানো এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। : এইচআরডাব্লিউর এশিয়া-বিষয়ক পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডামস বলেছেন, নিখোঁজের বিষয়ে যথার্থ তথ্য থাকা সত্ত্বেও সরকার আইনের  তোয়াক্কা না করে এই ভয়ঙ্কর চর্চা চালিয়ে যাচ্ছে। : হিউম্যান রাইটস ওয়াচের কর্মকর্তা ব্র্যাড অ্যাডামস বলছেন, ‘বাংলাদেশের সরকার এমনকি এসব অভিযোগ নাকচ না করে নীরব থাকছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও চুপ করে থাকছে। এই নীরবতার অবসান হওয়া উচিত।বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে কয়েক শ মানুষকে গুম আর গোপন আটকের অভিযোগ এনেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডাব্লিউ)। সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ কথা জানা গেছে। ২০১৩ সাল থেকে তাদের অবৈধভাবে আটক এবং গোপন স্থানে রাখার অভিযোগ তুলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার হয় এসব অভিযোগ নাকচ করে আসছে, অথবা অভিযোগের বিপরীতে নীরব ভূমিকা পালন করছে। অভিযোগের তদন্ত, নিখোঁজদের পরিবারের কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা সরবরাহ আর জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারকে তাগিদ দিয়েছে এইচআরডাব্লিউ। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ‘নীরব’ অবস্থানেরও সমালোচনা করেছে সংস্থাটি। ন্যায়বিচার নিশ্চিতে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনকে তদন্তকাজে নিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে তারা। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়। বিশ্ব সংস্থাটি জানায়, বাংলাদেশ সরকারের উচিত অতিসত্বর এই প্রবণতা বন্ধ করে এসব অভিযোগের তদন্ত করা, নিখোঁজদের পরিবারের কাছে ব্যাখ্যা তুলে ধরা আর এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া। ৮২ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদনের শিরোনামÑ ‘তিনি আমাদের কাছে নেই : বাংলাদেশে গোপন আটক আর গুম’, যেখানে অন্তত ৯০ জনের তথ্য রয়েছে, যাদের শুধু ২০১৬ সালেই গুম করা হয়েছে। এদের মধ্যে বেশিরভাগকে এক সপ্তাহ বা এক মাস গোপন স্থানে আটকে রাখার পর আদালতে হাজির করা হয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের কাছে তথ্য রয়েছে যে, এ রকম আটক ২১ জনকে পরে হত্যা করা হয়েছে আর নয়জনের কোনো তথ্যই আর জানা যায়নি। এই ৯০ জনের তালিকায় মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসি কার্যকর হওয়া তিন বিরোধী নেতার তিন সন্তান রয়েছে, যাদের একজন ৬ মাস পরে ফিরে এসেছেন। বাকি তিনজনের এখনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। ২০১৭ সালের প্রথম পাঁচ মাসে এ রকম ৪৮ জনের নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে, বলছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। ‘নিখোঁজের বিষয়ে যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ থাকলেও বাংলাদেশের সরকার এ বিষয়ে আইনের খুব একটা তোয়াক্কা করছে না।’ বলছেন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডামস। তিনি বলছেন, ‘মানুষজনকে আটক করে তারা দোষী না নির্দোষ নির্ণয় করা, শাস্তি নির্ধারণ করা, এমনকি তারা বেঁচে থাকবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেয়ার মতাও যেন বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের দেয়া হয়েছে।’ : গুম ছাড়াও রাষ্ট্রীয় গোপন হেফাজতে মৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়ার একটি প্রবণতা ল করা গেছে বলে জানায় এইচআরডাব্লিউ। ওই প্রতিবেদনে বিরোধী বিএনপির ১৯ জন কর্মীর তথ্য রয়েছে, যাদের ২০১৪ সালের জানুয়ারির নির্বাচনের পূর্বে বিভিন্ন এলাকা থেকে তুলে নেয়া হয়। : প্রতিবেদন তৈরি করতে গিয়ে নিখোঁজ পরিবারের সদস্য ও প্রত্যদর্শীসহ এক শ জনের বেশি মানুষের সাাৎকার নিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। সেখানে পুলিশের কাছে করা অভিযোগ ও অন্যান্য আইনি কাগজপত্রও রয়েছে। সংস্থাটি বলছে, এসব অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা চাইলেও তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশের কর্তৃপ। : এ ধরনের ঘটনায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন এবং ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যদের, যে সংস্থা দুটির বিরুদ্ধে মতার অপব্যবহারের দীর্ঘ অভিযোগ রয়েছে। : ২০১৩ সালের ৫ জানুয়ারি আদনান চৌধুরীকে তুলে নিয়ে যায় র‌্যাবের সদস্যরা। তার বাবা রুহুল আমিন চৌধুরী সংস্থাটিকে বলছেন, তাদের বলা হয়েছিল, পরদিন র‌্যাব সদস্যরা তাদের ছেড়ে দেবে। : ‘তারা বললো, আমরা তাকে নিয়ে যাচ্ছি, আমরাই আবার তাকে ফেরত দিয়ে যাব। কিন্তু তারা আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে’, সংস্থাটিকে বলেছেন চৌধুরী। : প্রতিবেদনে বলা হয়, নিখোঁজ বিএনপি নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমনের পরিবারের কাছে একজন জ্যেষ্ঠ র‌্যাব কর্মকর্তা গোপনে জানিয়েছেন, সুমনসহ আরো পাঁচজন তার হেফাজতে ছিল। কিন্তু তিনি তাদের হত্যা করতে অস্বীকৃতি জানানোর পর অন্য র‌্যাব কর্মকর্তারা তাদের নিয়ে যান। তার ধারণা, এই ছয়জনের কেউ বেঁচে নেই। : যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই মানবাধিকার সংস্থাটি বলছে, এ ধরনের আটকের ঘটনা সব সময় অস্বীকার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সরকারি কর্মকর্তারাও তাদের এই দাবির সমর্থন দিয়ে আসছেন। বরং কখনো কখনো উল্টো বলা হয় যে, এসব ব্যক্তি নিজেরাই লুকিয়ে রয়েছেন। : হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, এ ধরনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও গ্রহণ করে না পুলিশ। : সংস্থাটি বলছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতার’ প্রতিশ্রুতি দিয়ে আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে মতায় আসে। কিন্তু বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুম এখনো চলছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৯ সাল থেকে মোট ৩২০টি নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। : হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে, বাংলাদেশ সরকারের উচিত জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারকে এসব অভিযোগ তদন্ত করার আহবান জানানো এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। : এইচআরডাব্লিউর এশিয়া-বিষয়ক পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডামস বলেছেন, নিখোঁজের বিষয়ে যথার্থ তথ্য থাকা সত্ত্বেও সরকার আইনের তোয়াক্কা না করে এই ভয়ঙ্কর চর্চা চালিয়ে যাচ্ছে। : হিউম্যান রাইটস ওয়াচের কর্মকর্তা ব্র্যাড অ্যাডামস বলছেন, ‘বাংলাদেশের সরকার এমনকি এসব অভিযোগ নাকচ না করে নীরব থাকছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও চুপ করে থাকছে। এই নীরবতার অবসান হওয়া উচিত।
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট