কোম্পানীগঞ্জে পাঁচদিনের অভিযানে ৯১ ‘বোমা মেশিন’ ধ্বংস

প্রকাশিত: ১:৩২ পূর্বাহ্ণ, জুন ৭, ২০১৭

কোম্পানীগঞ্জে পাঁচদিনের অভিযানে ৯১ ‘বোমা মেশিন’ ধ্বংস

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে পাথর কোয়ারীতে পরিবেশ বিধ্বংসী বোমা মেশিনের ব্যবহার ঠেকাতে এবার কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে স্থানীয় প্রশাসন। গত শুক্রবার থেকে টানা পাঁচদিনের অভিযানে ৯১টি বোমা মেশিন ধ্বংস করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে পাথর পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ট্রাক্টরও।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবুল লাইছ ও সিলেট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদ হাসান খান ভোলাগঞ্জ, কালাইরাগ ও শাহ্ আরফিন টিলায় এসব অভিযান পরিচালনা করেন।

সূত্র জানায়, টাস্কফোর্সের নিয়মিত অভিযান সত্ত্বেও ভোলাগঞ্জসহ কোম্পানীগঞ্জের পাথর কোয়ারীগুলোতে অবৈধ বোমা মেমিনের ব্যবহার অব্যাহত রেখেছে একটি চক্র। প্রশাসন ও টাস্কফোর্সের অভিযানের খবর পেয়েই বোমাচক্রটি তড়িৎ গতিতে পে-লোডার মেশিন দিয়ে বোমা মেশিন সরিয়ে ফেলে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এবার একটানা অভিযানে নেমেছে স্থানীয় প্রশাসন।

টাস্কফোর্স সূত্র জানায়, গত শুক্রবার থেকে টানা পাঁচদিনের অভিযানে ৯১টি বোমা মেশিন ধ্বংস করা হয়েছে। ধ্বংস করা হয়েছে বোমা মেশিনের সরঞ্জামাদি, পাথর উত্তোলন কাজে ব্যবহৃত এস্কেভেটর ও ট্রাক্টর। এর মধ্যে কয়েকটি বোমা মেশিন ও ট্রাক্টর জব্দ করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গত সোমবার শাহ্ আরফিন টিলায় অভিযানকালে ১০টি টাক্টরও জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। হাতুড়ি দিয়ে ট্রাক্টরগুলোর ইঞ্জিন বিকল করা হয় এবং আগুনে পুড়ানো হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবুল লাইছ জানান, প্রতিটি বোমা শেশিন খুবই শক্তিশালী। একেকটি মেশিনের মূল্য প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা। এ হিসেবে প্রায় ১২ থেকে ১৪ কোটি টাকা মূল্যের ৯১টি বোমা মেশিন ধ্বংস করা হয়েছে।

তিনি জানান, বোমা মেশিন ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে পরিবেশ বিধ্বংসী আইনে মামলাও হচ্ছে। পরিবেশ রক্ষা ও জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট