সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি’র বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

প্রকাশিত: ৮:৩৭ অপরাহ্ণ, মে ২৫, ২০১৭

সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি’র বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

বিএনপি চেয়ারপার্সন ভিশন ২০৩০ ঘোষনা করায় সরকার ভীত  : নাসিম হোসাইন

বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র গুলশান কার্যালয়ে হয়রানিমূলক পুলিশী তল্লাশি ও ভাংচুরের প্রতিবাদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কর্তৃক গত ২৪ মে ২০১৭ইং রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে না দেয়ার প্রতিবাদে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি’র উদ্যোগে ২৫ মে বৃহস্পতিবার এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মিছিল নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বন্দর বাজারস্থ রংমহল টাওয়ার সম্মুখে এক সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় মহানগর বিএনপি’র সভাপতি নাসিম হোসাইন বলেন, বিএনপি চেয়ারপারর্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ভিশন ২০৩০ ঘোষণা করায় বর্তমান সরকার জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় হবে জেনে বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি’র চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে প্রতিহিংসা ও হয়রানীমূলক তল­াশি চালিয়ে বিএনপি’র ভাবমূর্তি ন্যাসাতের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। বর্তমান সরকারের জানা উচিত যে, বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে পুলিশী হয়রানিমূলক তল­াশী ও ভাংচুর করে বিএনপি-কে নিশ্চিহ্ন করা যাবে না। বিএনপি এদেশের মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়েছে।
-সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা করতে না দেয়া সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ। এভাবে সভা-সমাবেশে বাধা প্রদান করতে থাকলে বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা ঘরে বসে থাকবে না। বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক দিলে আমরা প্রতিটি নেতা-কর্মী আন্দোলন সফল এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে যেকোন ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত রয়েছি।
উক্ত সভায় জেলা ও মহানগর বিএনপি’র নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সভ-সভাপতি ফরহাদ চৌধুরী শামীম, জিয়াউল গণি আরেফীন জিল­ুর, জেলা বিএনপি’র সভ-সভাপতি এ.কে.এম তারেক কালাম, হাজী শাহাব উদ্দিন, মহানগর বিএনপি’র সহ-সভাপতি আব্দুস সাত্তার, আমির হোসেন, জেলা বিএনপি’র উপদেষ্টা কাজী মুহিবুর রহমান, জেলা বিএনপি’র প্রথম যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়ছল, মহানগর বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, মাহবুব কাদির শাহী, এডভোকেট আতিকুর রহমান সাবু, জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাশেম, মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মুকুল মোর্শেদ, মহানগর বিএনপি’র দফতর সম্পাদক সৈয়দ রেজাউল করিম আলো, জেলা বিএনপি’র দফতর সম্পাদক এডভোকেট মোহাম্মদ ফখরুল হক, মহানগর বিএনপি’র যুব বিষয়ক সম্পাদক মির্জা বেলায়েত আহমেদ লিটন, জেলা বিএনপি’র শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সুরমান আলী, মহানগর বিএনপি’র শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ইউনুছ মিয়া, মহানগর বিএনপি’র স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক হাবিব আহমদ শিলু, জেলা বিএনপি’র স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক লায়েছ আহমদ, মহানগর বিএনপি’র স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ আশরাফ আলী, জেলা বিএনপি’র স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আ.ফ.ম কামাল, মহানগর বিএনপি’র পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ললি­ক আহমদ চৌধুরী, মহানগর বিএনপি’র পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল জব্বার তুতু, জেলা বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বজলুল রহমান ফয়েজ, হাবিবুর রহমান হাবিব, মুরাদ হোসেন, মহানগর বিএনপি’র সহ-কোষাধক্ষ্য শেখ মোহাম্মদ ইলিয়াস আলী, এম.এ মালেক, দিদার ইবনে লস্কর, এডভোকেট ইসরাফিল আলী, এডভোকেট তাজ উদ্দিন, আব্দুল লতিফ খাঁন, এনামুল হক মাক্কু, আব্দুস শুকুর, উজ্জ্বল রঞ্জন চন্দ্র, নুরুল ইসলাম, দিলোয়ার হোসেন জয়, কয়েছ আহমদ সাগর, মনিরুল ইসলাম তুরন, আজির উদ্দিন আহমদ, এডভোকেট নুর আহমেদ, ময়নুল ইসলাম মঞ্জু, আব্দুল মান্নান, আব্দুল­াহ আল মামুন শামন, মাসুক এলাহী, মফিজুর রহমান জুবের, রহিম লস্কর, মখলিছ খাঁন, স্বাধীন, ছালেহ আহমদ খাঁন, নেছার আলম শামীম, ছালাহ উদ্দিন রিমন, নাসির উদ্দিন রহিম, রায়হান আহমদ, শামিম আহমদ, সোহেল ইবনে রাজা, আজাদ মিয়া, মাজহারুল ইসলাম রাসেল, খালেদ আহমদ, আতাউর রহমান, আব্দুল মুক্তাদির, আলী আকবর রাজন, দুলাল রেজা, আবু সালেহ, আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী সাব্বির, সুমন আহমদ বিপ্লব, আব্দুল মুকিত, মনসুর খাঁন, তানবীর সজিব, দিলোয়ার হোসেন, শাহেদ আহমদ, ফয়জুল হোসেন, তাইফুল ইসলাম পাবেল প্রমূখ। -বিজ্ঞপ্তি

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট