ভোলাগঞ্জে পুলিশী অভিযানে ২০টি বোমা মেশিন ধ্বংস

প্রকাশিত: ১:২৪ অপরাহ্ণ, মে ১৭, ২০১৭

ভোলাগঞ্জে পুলিশী অভিযানে ২০টি বোমা মেশিন ধ্বংস

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারী খ্যাত ধলাই নদীতে দু’দিন পর পর পাথর উত্তোলনের দানবযন্ত্র নামক বোমা মেশিনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেও কোন ভাবেই বন্ধ করা যাচ্ছে না অবৈধ ভাবে পাথর উত্তোলন।
১৬ মে মঙ্গলবার পুলিশ দিনভর শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান পরিচালনা করে ২০টি বোমা মেশিন ধ্বংস করেছে। জব্ধ করেছে বোমা মেশিনের পাইপ সহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি। স্থানীয় ভোলাগঞ্জ গুচ্ছগ্রাম বাজারের পাশ ঘেষে অবৈধ ভাবে বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলন হচ্ছিল দীর্ঘ দিন ধরে। ভোলাগঞ্জ ও গুচ্ছগ্রামের কতিপয় পাথর খেকো চক্র গুচ্ছগ্রাম বাজার ধ্বংস করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। পুলিশি অভিযানের খবর পেয়েই পাথর খেকোচক্র তড়িত গতিতে পে-লোডার মেশিন দিয়ে বোমা মেশিন সরিয়ে ফেলে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে গত প্রায় সপ্তাহ খানিক ধরে নিবিড় পর্যবেক্ষণ শেষে মঙ্গলবার নতুন কৌশল অবলম্বন করেন গোয়াইনঘাট সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মতিয়ার রহমান ও কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আলতাফ হোসেন। তারা দুপুর ১টা হতে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ধলাই নদীর প্রবেশ মুখে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় তারা ২০টি বোমা মেশিন নদীতে রেখেই ভেঙে, পুড়িয়ে ধ্বংস করেন। সাথে সাথে মেশিনের অন্যান্য সরঞ্জমাদি জব্ধ করেন।
অভিযান শেষে সহকারী পুলিশ সুপার মতিয়ার রহমান জানান, প্রতিটি বোমা মেশিন খুবই শক্তিশালী ভাবে তৈরী। যন্ত্রপাতির মূল্য অনুযায়ী প্রতিটি বোমা মেশিনের মূল্য ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা। এই হিসেবে প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের ২০টি বোমা মেশিন ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বোমা মেশিন ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে পরিবেশ বিধ্বংসী আইনে মামলা হচ্ছে। অফিসার ইনচার্জ আলতাফ হোসেন জানান, অতীতের ন্যায় বর্তমানে বোমা মেশিনের বিরুদ্ধে খুব ঘন ঘন অভিযান পরিচালনা করছি আমরা। ভোলাগঞ্জ গুচ্ছগ্রামের বাজার রক্ষার্থে বোমা মেশিনের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট