সাফাতের বাবার জুয়েলার্স থেকে ৮৫ কোটি টাকার স্বর্ণালঙ্কার আটক

প্রকাশিত: ১:৩২ অপরাহ্ণ, মে ১৫, ২০১৭

সাফাতের বাবার জুয়েলার্স থেকে ৮৫ কোটি টাকার স্বর্ণালঙ্কার আটক

রাজধানীতে আপন জুয়েলার্সের পাঁচটি শাখায় অভিযান চালিয়ে ২৮৬ কেজি স্বর্ণ ও ৬১ গ্রাম ডায়মন্ড আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর। এই স্বর্ণ ও ডায়মন্ডগুলোর মূল্য ৮৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।

রোববার (১৪ মে) রাতে অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দিপা রাণী হালদারের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আপন জুয়েলার্সের ডিসিসি মার্কেট, গুলশান এভিনিউ, উত্তরা, মৌচাক ও সীমান্ত স্কোয়ারের পাঁচটি শাখায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় গুলশানের একটি শোরুম সিলগালা করে দেওয়া হয়। অভিযানে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ কর কর্মকর্তা ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, অভিযানে আপন জুয়েলার্স, মৌচাক মার্কেট শাখায় সর্বমোট ৫৩,৫১৮.০২ গ্রাম ওজনের স্বর্ণালঙ্কার জব্দ করা হয়। যার বাজার মূল্য ১৯ কোটি ১১ লাখ ৯৩ হাজার ৪৭১ টাকা। এই শাখায় ২ কোটি ৩৭ লাখ ৮৯ হাজার ৩০০ টাকার মোট ১৭.৩৫ গ্রাম ওজনের ডায়মন্ডের অলঙ্কার পাওয়া যায়।

আপন জুয়েলার্স, সীমান্ত স্কোয়ার শাখায় সর্বমোট ৮১,৬৮৮.৬ গ্রাম ওজনের স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া যায়, যার বাজার মূল্য ৩২ কোটি ১৪ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪১ টাকা। আর ডায়মন্ডের অলঙ্কার জব্দ করা হয় ৩৩.৪৪ গ্রাম ওজনের, যার বাজার মূল্য ১ কোটি ৪৩ লাখ ৫৪ হাজার ১০০ টাকা।

উত্তরায় আপন জুয়েলার্সের শাখায় প্রায় ৩২ কোটি ২৬ লাখ ৭০ হাজার টাকার সর্বমোট ৮২,০০০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণালঙ্কার জব্দ করা হয়। সেখানে ডায়মন্ডের অলঙ্কার ছিল ৯.৭ গ্রাম ওজনের, যার বাজার মূল্য ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।

আপন জুয়েলার্স, ডিসিসি মার্কেট শাখায় সর্বমোট ৬৮,৪৬২.৩০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণালঙ্কার আটক করা হয়। এসব অলঙ্কারের বাজার মূল্য ২৫ কোটি ৭৪ লাখ ১৮ হাজার ২৪৮ টাকা।

কর্মকর্তারা জানান, রোববারের অভিযানে আপন জুয়েলার্সের পাঁচটি শাখার চারটিতে মোট ২৮৬ কেজি স্বর্ণালঙ্কার ও ৬১ গ্রাম ডায়মন্ডের অলঙ্কার পাওয়া গেছে। স্বর্ণের মোট মূল্য প্রায় ৮০ কোটি ২৩ লাখ টাকা এবং ডায়মন্ডের মোট মূল্য প্রায় ৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা। সর্বমোট স্বর্ণ ও ডায়মন্ডের মূল্য প্রায় ৮৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।

শুল্ক গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ জানায়, এসব অলঙ্কার সাময়িকভাবে আটক করে শুল্ক আইন অনুসারে প্রতিষ্ঠানসমূহের জিম্মায় দেয়া হয়েছে। এখন এসব মূল্যবান পণ্যের কাগজ-পত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। অনুসন্ধানে কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে আপন জুয়েলার্স ও প্রতিষ্ঠানের মালিকদের বিরুদ্ধে চোরাচালান এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট