ফের বরখাস্তের প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন মেয়র আরিফুর হক

প্রকাশিত: ১:১২ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ৩, ২০১৭

ফের বরখাস্তের প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন মেয়র আরিফুর হক

দায়িত্ব নেয়ার তিন ঘণ্টার মধ্যে মেয়র পদ থেকে বহিষ্কার করার প্রতিক্রিয়ায় আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, বহিষ্কার করা হলেও আমি মেয়র। জনগণের ভোটে নির্বাচিত মেয়র। মন্ত্রণালয় আমার দপ্তর কেড়ে নিয়েছে। কিন্তু জনগণের ভোট তো কেড়ে নিতে পারবে না। তাই আমি এখন দপ্তরবিহীন মেয়র।

রবিবার দুপুরে আরিফুল হক চৌধুরীকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদ থেকে বহিষ্কারের চিঠি দেয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এই চিঠি পাওয়ার ঘণ্টা তিনেক আগেই ২৭ মাস পর মেয়রের দায়িত্ব নিয়েছিলেন আরিফ।

আরিফ বলেন, মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমি আইনি লড়াই চালিয়ে যাবো। একইসঙ্গে জনগণের কাছেও আমি বিচার দিলাম। জনগণ ভোটের মাধ্যমে এই অবিচারের জবাব দেবে বলেও মন্তব্য করেন আরিফ।

বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানার পর রবিবার নিজ বাসায় এই বিএনপি নেতা বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে যদি এভাবে কথায় কথায় মামলার আসামী করা হয়, বরখাস্ত করা হয়, জনগণ থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়- তবে সেটা মোটেই মঙ্গলজনক নয়।

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় জনপ্রতিনিধিদের কাজ করার সুযোগ না দিলে তা রাষ্ট্রের জন্য অশনিসংকেত।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্যরা কোনো মামলার আসামী হলে তাদের বরখাস্ত করা হয় না। কিন্তু স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিরা মামলায় জামিনে থাকলেও বরখাস্ত করা হয়। একই দেশে দুই আইন কেনো- এমন প্রশ্ন তোলেন তিনি।

আরিফুল হক চৌধুরীর আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম মোহাম্মদ কাফি বলেন, যে আইনে আরিফুল হক চৌধুরীকে বরখাস্ত করা হয়েছে, সে আইনের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে একটি রিট করেছি। সেটি এখনো নিষ্পন্ন হয়নি। এ অবস্থায় তাকে কিভাবে আবার বরখাস্ত করা হলো তা বুঝতে পারছি না। আমরা এ ব্যাপারে আবার আদালতের শরণাপন্ন হবো।

এরআগে সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার সম্পূরক অভিযোগপত্রে নাম আসার পর ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ এক আদেশে সিসিক মেয়র আরিফকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট