বিস্ফােরণে আহত ফারুককে হন্যে হয়ে খুঁজছে গোয়েন্দারা

প্রকাশিত: ৭:৩৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৭, ২০১৭

বিস্ফােরণে আহত ফারুককে হন্যে হয়ে খুঁজছে গোয়েন্দারা

সিলেটের শিববাড়ির আতিয়া মহলের পাশে শনিবার সন্ধ্যায় বিস্ফােরণে আহত ফারুক কোথায়? তার অবস্থান জানতে হন্যে হয়ে ঘুরছে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্যরা। তাদের সন্দেহ ফারুকের কাছ থেকেই মিলতে পারে এই রক্তাক্ত বোমা বিস্ফোরণের আসল রহস্য। তাই তারা যে কোনো মূল্যে ফারুককে চায়।

জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় বিস্ফােরণে আহত হয়েছিল ফারুক নামের এক যুবক। আহত অবস্থায় ওসমানী হাসপাতালে  ভর্তিও হয়েছিল তাকে। হাসপাতাল রেজিস্টারেও তার নাম রয়েছে। কিন্তু ভর্তি হওয়ার কিছুক্ষণ পর থেকেই তিনি উধাও। কেউ বলতে পারছে না সেই যুবক কীভাবে কখন উধাও হয়েছে। আর এখানেই যত সন্দেহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত দুদিন ধরে অনেক খুঁজেও তার সন্ধান পায়নি আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। ওই হামলার ব্যাপারে তাকে প্রাথমিক সন্দেহে রাখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সন্দেহে আছেন আহত হয়ে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি থাকা আরো এক ব্যক্তিকে। সন্দেহে আছেন নিহতদের মধ্যে দু’জন।

আতিয়া মহল নামের একটি পাঁচতলা বাড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযান চলাকালে শনিবার সন্ধ্যায় ওই ভবনের পাশেই বোমা বিস্ফোরণে নিহত হন জালালাবাদ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম, আদালত পুলিশের পরিদর্শক চৌধুরী মো. আবু কয়ছর, ছাত্রলীগ নেতা জান্নাতুল ফাহমি ও অহিদুল ইসলাম অপু, ছাতকের দয়ারবাজার এলাকার কাদিম শাহ এবং নগরীর দাঁড়িয়াপাড়ার শহীদুল ইসলাম।

এদের মধ্যে কাদিম শাহ ও শহীদুল ইসলামের মরদেহ রবিবার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেনি পুলিশ। তারা দু’জন পরস্পরের বন্ধু এবং দুজনই নগরীর দাড়িয়াপাড়ায় প্রাইম লাইটিং এন্ড ডেকোরেটর্সে কাজ করতেন বলে জানা গেছে। অবশ্য সোমবার তাদের লাশ পরিবারে কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এসএম রোকন উদ্দিন বলেন, কারা হামলার সাথে জড়িত, তা খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে এ ব্যাপারে বলা যাবে। এ ঘটনায় যারা আহত হয়েছেন তাদের ব্যাপারেও আমরা খোঁজ নিচ্ছি।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) জেদান আল মুসা বলেন, বোমা বিস্ফোরণস্থলের পাশে বাজারের ব্যাগ ও সবজি পড়ে থাকতে দেখে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে হামলাকারী জঙ্গি সঙ্গে থাকা বোমা গোপনে সবজির ব্যাগে করে বহন করেছিল।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট