শ্বাসরুদ্ধকর দুই ঘন্টা : পুলিশ সরে গেল, রাজশাহীর বিএনপি নেতারাও বেরিয়ে গেলেন

প্রকাশিত: ১১:৪১ অপরাহ্ণ, মার্চ ২১, ২০১৭

শ্বাসরুদ্ধকর দুই ঘন্টা : পুলিশ সরে গেল, রাজশাহীর বিএনপি নেতারাও বেরিয়ে গেলেন

রাজশাহী : মঙ্গলবার বিকেল ৫টা থেকে হঠাৎ করেই রাজশাহী মহানগর বিএনপির কার্যালয় ঘেরাও করে পুলিশ। সে সময় ভেতরে অবস্থান করছিলেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা। সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে কার্যালয়ের সামনে থেকে সরে যায় পুলিশ। পরে নেতাকর্মীরা একসঙ্গে বের হয়ে যান।

জানা যায়, মঙ্গলবার মহানগর বিএনপির কার্যালয়ে সাবেক মহাসচিব মরহুম খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা চলছিল। সেখানে রাজশাহী মহানগর বিএনপি, ছাত্রদল ও অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিকেলে ৫ টার দিকে সেখানে হঠাৎ করেই উপস্থিত হয় পুলিশ। এরপর কার্যালয় ঘেরাও করা হয়। বন্ধ করে দেয়া হয় দুই প্রান্তের রাস্তা।

গুঞ্জন উঠে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলনকে আটক করা হবে। সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে পুলিশ কার্যালয়ের সামনে থেকে সরতে থাকে। একদিকে সরতে থাকে পুলিশ অন্যদিকে কার্যালয় থেকে বের হয়ে আসতে থাকে নেতাকর্মীরা। পরে মহিলা দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পুলিশের সামনেই একসাথে বেরিয়ে যান মিলন। পরে সেখান থেকে সকল পুলিশ সদস্যরাও চলে যায়।

এদিকে মঙ্গলবার বিকেলে শহরের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি’র দলীয় পোস্টার লাগানো হয়। আর এই পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করেই পুলিশ সেখানে অবস্থান করে বলে ধারণা করেন অনেকে।

মহনগর বিএনপির অ্যাড. শফিকুল হক মিলন বলেন, ‘বাজারে আগুন বিপর্যস্ত জনজীবন এই শিরোনামে নগরীর বিভিন্ন স্থানের দেয়ালে পোস্টার সাটানো হয়। এরপর পরই পার্টি অফিসের সামনে পুলিশ অবস্থান নেয়। তিনি আরো বলেন, কি কারণে পুলিশ দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন এ বিষয়ে তারা কিছুই আমাদের জানায়নি।  পরে পুলিশ চলে গেলে দলীয় নেতা-কর্মীরা কার্যালয় থেকে চলে যান বলে তিনি জানান।’

এদিকে রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র সহকারি কমিশনার ইফতে খায়ের আলম বলেন, কিছু তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় পুলিশ অবস্থান করছিলো। তবে পুলিশ ওই সময় বিএনপির দলীয় কার্যালয় ঘিরে রাখেনি বলে জানান তিনি। কৌশলগত কারণেই পরে পুলিশ সেখান থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

  •