মেয়র আরিফের বহিস্কারাদেশ স্থগিতের বিরুদ্ধে আপিল : শুনানী ২৩মার্চ

প্রকাশিত: ২:১৮ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২০, ২০১৭

মেয়র আরিফের বহিস্কারাদেশ স্থগিতের বিরুদ্ধে আপিল : শুনানী ২৩মার্চ

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করতে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়।
রোববার চেম্বার জজ সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের আদালতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের পক্ষে আপিল করা হয়। চেম্বার জজ আপিল পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে প্রেরণ করে আগামী ২৩ মার্চ শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন বলে জানান আরিফুল হকের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ কাফি।
গত ১৩ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মো. দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি আতাউর রহমান খান হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ আরিফুল হকের বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করেন।
আদালতের এই আদেশের পর গত বৃহস্পতিবার আরিফুল হক স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা প্রদানের আহ্বান জানিয়ে পত্র পাঠান আরিফুল হক।
২০১৫ সালের ২০ মার্চ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ এক আদেশে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্ত করে।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যের বাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় দুর্বৃত্তদের গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া। ওই হত্যাকান্ডের প্রায় ১০ বছর পর তৃতীয় সম্পূরক চার্জশিটে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে আসামি করা হয়।
২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর কিবরিয়া হত্যা মামলার চার্জশিট আদালতে গৃহীত হলে ২৮ ডিসেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। আদালত মেয়র আরিফুলের জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় ২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় বোমা হামলার ঘটনার দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর পর মেয়র আরিফকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।
চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি দীর্ঘ কারাভোগের পর সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান আরিফুল হক চৌধুরী।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট