জেলা প্রশাসক বরাবরে মানবাধিকার আইনজীবীদের আবেদন

প্রকাশিত: ১২:২২ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১৫, ২০১৭

জেলা প্রশাসক বরাবরে মানবাধিকার আইনজীবীদের আবেদন

নির্ধারিত সাজা ভোগ করার পরও মুক্তি পাচ্ছে না গৌরাঙ্গ দাস


নির্ধারিত ১৪ বছর সাজা ভোগ শেষে ১ বছর ১ মাস ৭ দিন অতিবাহিত হলেও অদ্যাবিদ গৌরাঙ্গ দাস মুক্তি পাননি। মানবিক কারণে তাকে দ্রæত জেল হাজত থেকে মুক্তির জন্য সিলেট জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করে গতকাল ১৪ মার্চ মঙ্গলবার দুপুরে সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ রাহাত আনোয়ার এর নিকট আবেদন প্রদান করেছেন জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটি সিলেট জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।
আবেদন সূত্রে জানা যায়, সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার তোয়াকুল ইউনিয়নের পাইকরাজ গ্রামের মৃত গপেশ চন্দ্র দাসের ছেলে শ্রী গৌরাঙ্গ দাস বিগত ০৬/১১/২০০৪ ইং তারিখে র‌্যাবের বিশেষ অভিযানে অস্ত্র সহ গ্রেফতার হন। গ্রেফতারের পর র‌্যাবের কাজে ভয়ে নিজ স্থায়ী ঠিকানা গোপন করে ভারতের আসাম রাজ্যের মেঘালয় (শিলং) জেলার চেরাপুঞ্জি থানার ধারনবস্তি নিবাসী বলে নিজের পরিচয় দেয়। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে ১৯ এ ধারায় বিশেষ ক্ষমতা মামরা নং- ১৭০/২০০৪ইং কোম্পানীগঞ্জ জি.আর মামলা নং- ১১২/২০০৪ সিলেটের জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতে অপরাধ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামী গৌরাঙ্গ দাসকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করা হয়।
বিগত ০৭/০২/২০১৬ইং তারিখে ১৪ বছরের সাজার মেয়াদ শেষ হলেও গৌরাঙ্গ দাসের নাগরিকত্ব নিয়ে জটিলাতা দেখা দেয়ায় মুক্তি পেতে বাধা সৃষ্টি হয়।
জানা যায় সাজা শেষ হওয়ার ১ বছর ১ মাস ৭ দিন অতিবাহিত হলেও অদ্যাবিদ গৌরাঙ্গ দাস মুক্তি পাননি। এ ব্যাপারে মিডিয়া সংবাদ প্রচার হলে বিষয়টি নজরে আসে জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটি সিলেট জেলা শাখার নেতৃবৃন্দের। এছাড়াও বিষয়টি গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম চৌধুরী, তোয়াক্কুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খালেদ আহমদ দৃষ্টি গোচর হয়। পরে মানবাধিকার কর্মী, বিজ্ঞ আইনজীবী ও স্থানীয় জনপ্রতিধিগণ সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে জেল সুপারের মাধ্যমে গৌরাঙ্গ দাসের সাথে দেখা করে জানতে পারেন সে ভারতের নাগরিক নয়, সে গোয়াইনঘাট উপজেলার তোয়াকুল ইউনিয়নের পাইকরাজ গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দ ও জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক।
ন্যায় ও সুবিচারের স্বার্থে সঠিক ঠিকানা যাচাই পূর্বক জেল জীবন থেকে গৌরাঙ্গ দাসকে মুক্তি প্রদানের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকের নিকট মানবাধিকার কর্মীরা জোর দাবী জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটি সিলেট জেলা শাখার সভাপতি এডভোকেট আল-আসলাম মুমিন, সহ সভাপতি এডভোকেট তাজ উদ্দিন মাখন, এডভোকেট আব্দুল মালেক, এডভোকেট সাইফুল ইসলাম তালুকদার, এডভোকেট শাহজাহান, এডভোকেট হেদায়েত হোসেন তানভির, এডভোকেট এম.এ সালেহ চৌধুরী, মোঃ কামরুজ্জামান দীপু, রাজিব দাস প্রমুখ। -বিজ্ঞপ্তি

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট