সাবমেরিন যুগে বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ২:৫৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ১২, ২০১৭

সাবমেরিন যুগে বাংলাদেশ

চীনের কাছ থেকে পাওয়া দুটি সাবমেরিন আজ নৌবাহিনীর ফ্লিটে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার চট্টগ্রামে নৌ ঘাঁটি ইশা খাঁয় ‘বানৌজা নবযাত্রা’ ও ‘বানৌজা জয়যাত্রা’ নামের সাবমেরিন দুটির কমিশনিং ফরমান হস্তান্তর করেন।
আইএসপিআর থেকে জানানো হয়েছে, ‘নবযাত্রা’ এবং ‘জয়যাত্রা’ নামের দুটি সাবমেরিন টর্পেডো এবং মাইন দ্বারা সুসজ্জিত, যা শত্রুপক্ষের যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিনকে আক্রমণ করতে সক্ষম।
নৌবাহিনীর ফ্লিটে নতুন দুটি সাবমেরিন যোগ হওয়ার ফলে কী পরিবর্তন আসবে?
নৌবাহিনীর রিয়ার এডমিরাল এএসএমএ আউয়াল সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেলেন-” বাংলাদেশ নৌবাহিনী আগে দ্বিমাত্রিক ছিল। দুটি ডাইমেনশনে তারা কাজ করতে পারতো।”
“কিন্তু এই দুটো সাবমেরিন যুক্ত হবার ফলে নৌবাহিনী ত্রিমাত্রিক শক্তি হিসেবে যাত্রা শুরু করলো। সক্ষমতার দিক দিয়ে নৌবাহিনীকে যে দায়িত্ব পালন করতে হয়- তিনটা ডাইমেনশনে তাদের হুমকি মোকাবেলা করতে হয়-আজ থেকে এটার সক্ষমতা অর্জন করলো বাংলাদেশ”-বলছিলেন নৌবাহিনীর রিয়ার এডমিরাল এএসএমএ আউয়াল।
গত বছর চীনের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দুইটি সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ পায় বাংলাদেশ।
সাবমেরিন দুইটি গ্রহণ করে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ।
সেসময় আইএসপিআর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, ০৩৫ জি ক্লাসের এই কনভেনশনাল সাবমেরিন দুইটি ডিজেল ইলেকট্রিক সাবমেরিন, যার প্রতিটি দৈর্ঘ্যে ৭৬ মিটার এবং প্রস্থে ৭.৬ মিটার।
রিয়ার এডমিরাল এএসএমএ আউয়াল জানান, “এই ডিজেল ইলেকট্রিক সাবমেরিন চীনের নৌবাহিনীতে আছে। সেখান থেকেই বাংলাদেশকে দুটো দেয়া হয়েছে”।

  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট