সিলেটে আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আরো একজনের মৃত্যু

প্রকাশিত: ৩:৩০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৭

সিলেটে আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আরো একজনের মৃত্যু

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় আরেকজন মারা গেছেন। এনিয়ে নিহতের সংখ্যা দাড়ালো ২ জনে। এ ঘটনায় আহত হন ১৬ জন।

সোমবার সকাল সাতটার দিকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোহেল মিয়া (৩৫) নামের এক যুবক মারা যান। সোহেল মিয়ার বাড়ি ওসমানীনগর উপজেলার কালিরচর গ্রামে।

আহত ব্যক্তিদের মধ্যে সোহেল মিয়াও ছিলেন। গুরতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর মাথা ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল।

জানা গেছে, নিহত সোহেল মিয়া কোনো পক্ষের সমর্থক ছিলেন না। সংঘর্ষে দুই পক্ষের সমর্থকদের পাশাপাশি কয়েকজন গ্রামবাসী আহত হন। সোহেল মিয়া ছিলেন গ্রামবাসীদের একজন।

তার মৃত্যুর তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আউয়াল চৌধুরী।

রবিবারে এ সংঘর্ষে নিহত সাইফুল ইসলাম (১৬) নামে এক কিশোর নিহত হন। সে জগন্নাথপুর উপজেলার উত্তর কালনীচর গ্রামের মৃত শরফ উদ্দিনের ছেলে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সকালে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে।

এ ঘটনায় রবিবার দু’জনকে আটক করে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জগলু চৌধুরী গতকাল শনিবার বিকালে নির্বাচনী প্রচারে বের হন। তিনি সাদীপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজারে গণসংযোগ করেন। এ সময় তার সঙ্গে সাদীপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা কবির উদ্দিন, আরজু মেম্বার ও তার ভাই বাহার মিয়া সঙ্গে ছিলেন।

এক পর্যায়ে বাজারের একটি চা দোকানে বসে কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। বিষয়টি সমাধানে রোববার সকালে সালিশ বৈঠক ডাকা হয়। সকালে সালিশ চলাকালে দু’পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়াও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই সাইফুল ইসলামের মৃত্যু হয়।

গুলিবিদ্ধসহ শতাধিক আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জগন্নাথপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট