একুশে পদকপ্রাপ্ত সিলেটের সুষমা দাস ও ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী যত অবদান

প্রকাশিত: ৫:০৮ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৭

একুশে পদকপ্রাপ্ত সিলেটের সুষমা দাস ও ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী যত অবদান

ভাষা-শিল্প-সাহিত্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবময় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর ১৭ গুণী ব্যক্তিকে একুশে পদক দেওয়া হয়েছে। যাদের প্রত্যেকে নিজ নিজ অঙ্গনে উজ্জ্বল।

সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০১৭ সালে একুশে পদকপ্রাপ্তদের হাতে পদক ও সম্মাননাপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

একুশে পদকপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও দুই লাখ টাকার চেক দেওয়া হয়েছে।

শিল্পী সুষমা দাসঃ সুষমা দাস একজন লোকসংগীত শিল্পী। গ্রামীণ আসরে ধামাইল, কবিগান ও বাউল গানের পাশাপাশি হরি জাগরণের গান, গোপিনী কীর্তনসহ ভাটি অঞ্চলে প্রচলিত লোকজ ধারার নন্দিত শিল্পী হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। বাংলাদেশ বেতারে তিনি সহস্রাধিক গান পরিবেশন করেন। তিনি প্রায় চারশত লোককবির গান সংগ্রহ করেছেন। সুষমা দাস রাধারমণ দত্ত, বাউল শাহ আবদুল করিম, কালাশাহ, দূরবীন শাহ, গীতিকবি গিয়াস উদ্দিন আহমদ, হাসন রাজাসহ বহু মরমি কবি ও সাধকের গান করেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরীঃ  বিশিষ্ট প্রকৌশলী অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা ১৯৬৩ সাল থেকে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা ছাড়াও দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ পর্যন্ত তার ৭০টি গবেষণাপত্র দেশি-বিদেশি জার্নালে প্রকাশ হয়েছে। তিনি উঁচু ইমারতের শিয়ার ওয়াল ডিজাইনের সহজ পদ্ধতি কুল অ্যান্ড চৌধুরী মেথড উদ্ভাবন করেন। বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতুর পরিকল্পনা, নকশা প্রণয়ন ও নির্মাণে সম্পৃক্ত বিশেষজ্ঞদের মধ্যে অন্যতম, বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে দলনেতা, সিসমিক জোনিং ম্যাপ ও ভূমিকম্পবিরোধী ভবনের বিল্ডিং কোডের রূপরেখা তৈরি করেন। পদ্মাসেতু প্রকল্পে আর্ন্তজাতিক বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি তিনি।

তারা দুজন ছাড়াও এ বছর যারা একুশে পদক পেয়েছেন- ভাষা সৈনিক অধ্যাপক ড. শরিফা খাতুন (ভাষা আন্দোলন), জুলহাস উদ্দিন আহমেদ (সঙ্গীত), ওস্তাদ আজিজুল ইসলাম (সঙ্গীত), তানভীর মোকাম্মেল (চলচ্চিত্র), সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ (ভাস্কর্য), সারা যাকের (নাটক), আবুল মোমেন ও স্বদেশ রায় (সাংবাদিকতা), সৈয়দ আকরম হোসেন (গবেষণা), প্রফেসর ইমেরিটাস ড. আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন (শিক্ষা), অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান (সমাজসেবা), কবি ওমর আলী ( ভাষা ও সাহিত্য মরণোত্তর), সুকুমার বড়ুয়া (ভাষা ও সাহিত্য), শামীম আরা নীপা (নৃত্য) এবং রহমতউল্লাহ আল মাহমুদ সেলিম (সঙ্গীত)।

  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট