ফিরে দেখা চার নির্বাচন কমিশনারের অতীত

প্রকাশিত: ১:০০ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৭

ফিরে দেখা চার নির্বাচন কমিশনারের অতীত

রাষ্ট্রপতি কর্তৃক পুনর্গঠিত নির্বাচন কমিশনে এবার স্থান পেয়েছেন সাহিত্যিক, আমলা, সেনা কর্মকর্তা ও বিচারক রয়েছেন। দেশের ইতিহাসে এই প্রথম একজন নারীও কমিশনে এসেছেন।

সাবেক সচিব কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে পাঁচজনের কমিশন সোমবার গঠিত হয়েছে। এরই মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশন নিয়ে প্রশ্ন আর বিতর্ক উঠলেও অন্য চারজন নিয়ে তেমন কোনো নেতিবাচক কথা আসেনি এখনো।

কবিতা খানম : নতুন কমিশনে একমাত্র নারী কবিতা খানম। দেশের ইতিহাসেও তিনি প্রথম নারী যিনি নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ পেয়েছেন।

২০১৩ সালে অবসরে যাওয়া জেলা জজ কবিতার নামটি সার্চ কমিটিতে প্রস্তাব করেছিল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। নওগাঁয় বাড়ি কবিতা খানমের। তার স্বামীও বিচারক ছিলেন, তিনি ২০১১ সালে মারা যান।

আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তার নামের প্রস্তাবনা আসলেও তাকে নিয়ে অন্য দলের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত কোনো প্রশ্ন আসেনি। সবমিলেই বলা যায়, তিনি সবার কাছে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি।

মাহবুব তালুকদার : শিশু সাহিত্যের জন্য ২০১২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান মাহবুব তালুকদার। মুক্তিযোদ্ধা মাহবুব তালুকদারের আটটি উপন্যাস ও ৪০টি গল্পগ্রন্থ রয়েছে। ‘বঙ্গভবনে ৫ বছর’ তার সুপরিচিত গ্রন্থ।

নেত্রকোণায় জন্ম নেওয়া মাহবুব ১৯৭১ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাও করেছেন, ১৯৭২ সালে বঙ্গভবনে উপ সচিব হিসেবে যোগ দেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি আবু সাইদ চৌধুরী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে মাহবুব তালুকদার, যার নামের সুপারিশটি এসেছিল বিএনপির কাছ থেকে। বিএনপির পছন্দের হলেও তাকে নিয়ে অন্য দলের পক্ষ থেকেও এ পর্যন্ত কোনো প্রশ্ন আসেনি। সবমিলেই বলা যায়, তিনি সবার কাছে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি।

রফিকুল ইসলাম : ২০০৮ সালে ইসি সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব ছিলেন তিনি। সর্বশেষ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন তিনি। ১১৯৮২ ব্যাচের এ কর্মকর্তা ২০১৩ সালে অবসরে যান।

শাহাদৎ হোসেন চৌধুরী : নোয়াখালীতে ১৯৫৯ সালে জন্ম শাহাদতের। ১৯৮০ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন তিনি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে থাকা অবস্থায় ২০১০ সালে অবসরে যান।

নবম সংসদ নির্বাচনের আগে ইসির ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন প্রকল্পের পরিচালকও ছিলেন শাহাদৎ।

স্ত্রী সারোয়াত চৌধুরী ও দুই সন্তান রয়েছে সাবেক এ সেনা কর্মকর্তার। বড় মেয়ে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে, ছেলে পড়ে স্কুলে।

  •