বাংলাদেশসহ ৭৮টি সন্ত্রাসী হামলার তথ্য প্রকাশ হোয়াইট হাউজের

প্রকাশিত: ১:১৪ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৭

বাংলাদেশসহ ৭৮টি সন্ত্রাসী হামলার তথ্য প্রকাশ হোয়াইট হাউজের

ওয়াশিংটন : বিশ্বজুড়ে ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সংঘটিত হওয়া ৭৮ টি সন্ত্রাসী হামলার একটি তালিকা প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউজ। সম্প্রতি হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি তালিকায় এইসব জঙ্গি হামলার কথা জানানো হয়েছে, যা নাকি এতদিন গোপন ছিল।

হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র শন স্পাইসার স্থানীয় সময় সোমবার এই তালিকা প্রকাশ করে। হোয়াইট হাউসের দাবি, এর বেশিরভাগই প্রকাশ করেনি সংবাদমাধ্যম বা করলেও সেভাবে গুরুত্ব দিয়ে কভার করা হয়নি। এটাকে গণমাধ্যম ব্যর্থ বলে দাবি করেন হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র শন।

২০১৫ সালে ইরাক ও সিরিয়া ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন আইএস ফ্রান্সের প্যারিস, আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া, বার্নাডিনো, অরল্যান্ডো, ফ্লোরিডা, বাংলাদেশের ঢাকা, অস্ট্রেলিয়ার পারামাত্তা, বসনিয়ার বরনিতে হামলা করে বলে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে সোমবার ফ্লোরিডার টাম্পার ম্যাকডিল বিমান বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। বিমান বাহিনীর অনুষ্ঠানে ট্রাম্প গণমাধ্যম কর্মীদের অসৎ বলে ফের অভিযোগ করেন।

ট্রাম্প তার বক্তব্যে আরো দাবি করেন, জঙ্গি সংগঠনগুলো ফের মার্কিন মাটিতে হামলার ছক কষছে। যেভাবে তারা ৯/১১তে হামলা চালিয়েছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, সংবাদমাধ্যম কিছুক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃত ভাবে খবরগুলো চেপে দিচ্ছে। এরপরই হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি সিন স্পাইসার ফের সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করে বলেন, খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হয়নি এমন বহু জঙ্গি হামলার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে সংঘটিত আইএস এর কয়েকটি সন্ত্রাসী হামলার উল্লেখও করেন ট্রাম্প। আইএস’র প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় সংঘটিত এসব হামলার খবর সংবাদের কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিৎ ছিল তবে তা না করায় গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে আঙ্গুল তোলেন ট্রাম্প।

ট্রাম্পের ওই বৈঠকের পরই শন স্পাইসার এই তালিকা প্রকাশ করেন। তিনি মনে করেন, এই তথ্য প্রকাশ করে সংবাদমাধ্যমকে কঠিন বার্তা দিতে চেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সম্প্রতি ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি নিয়ে গণমাধ্যমগুলোর অতিরিক্ত প্রচারণার পরই হোয়াইট হাউজ থেকে এমন অভিযোগ এলো।

শন স্পাইসারের দাবি, ট্রাম্প যা করছেন সেটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে করছেন, সেখানকার বাসিন্দাদের সুরক্ষার কথা ভেবে করছেন। এরমধ্যেই ট্রাম্প দেশের অর্থনীতিকে, কর্মসংস্কৃতিকে চাঙ্গা করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন।

  •