বিএনপির বিরুদ্ধে মামলার পাহাড়

প্রকাশিত: ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ৩০, ২০১৭

বিএনপির বিরুদ্ধে মামলার পাহাড়
গণআন্দোলন ঠেকাতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে
নির্দলীয় সরকারের অধীন একটি অবাধ জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে গণআন্দোলন দমনে পুলিশের গুম, খুন, গ্রেফতার-নির্যাতনের পাশাপাশি বিএনপির লাখ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে কথিত নাশকতার মামলা করে। মামলায় বিএনপির মহাসচিবসহ কেন্দ্রীয় প্রায় সব নেতা ও লক্ষাধিক নেতাকর্মীকে আটক করে দীর্ঘ কারা অন্তরীণ করে। এছাড়াও বিএনপির চেয়ারপারসন ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানসহ নির্বাচিত সব মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান এবং সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতিসহ নানান মামলা সৃজন করে। আগামী সাধারণ নির্বাচনের আগেই বিএনপিকে মাঠ ছাড়া করতে নতুন পুরনো মামলার পাহাড় তৈরি করছে সরকার। : অনুসন্ধানে দেখা যায়, বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সব সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল ও কেন্দ্র্রীয় নেতাদের প্রত্যেককে প্রতি সপ্তাহে একাধিকবার এমনকি অনেককে প্রতিদিনই পুলিশের দায়ের করা মামলায় হাজিরা দিতে হচ্ছে। বেশিরভাগ নেতার বিরুদ্ধেই শতাধিক মামলা। মহানগর, জেলা ও থানার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ অংগ সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে একই ধরনের মামলা। সিনিয়র আইনজীবীদের মতে, এসব মামলা দ্রুত বিচারের জন্য যদি কোনো পক্ষ থেকে হস্তক্ষেপ করা না হয়, তবে ৫ থেকে ৭ বছরের আগে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে না। সে ক্ষেত্রে দলের নেতারা সহজেই আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। এতে কোনো সমস্যা হবে না। বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র নেতাদের নামে দায়ের করা মামলার কার্যক্রম সরকার দ্রুতগতিতে শেষ করতে চাচ্ছে। সিনিয়র অনেক নেতার নামে চার্জশিট দেয়া হয়েছে। আবার কোনো কোনো মামলার সাক্ষ্য গ্রহণও শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এসব মামলার দ্রুত বিচার নিয়ে নেতাকর্মীদের মাঝে শংকা তৈরি হয়েছে। সরকার বিএনপিকে মামলার ফাঁদে ফেলতে চাচ্ছে। মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে নেতাদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখার ষড়যন্ত্র চলছে। বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, শুধু খালেদা জিয়া নয়, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সিনিয়র অনেক নেতার মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরকার যেভাবে আদালতকে ব্যবহার করছে তাতে আগামী নির্বাচনের আগে অনেকের মামলার রায় দেয়া হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। সে ক্ষেত্রে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে। আপিল দ্রুত শেষ করে সাজা বহাল থাকলে যে কেউ নির্বাচনে অযোগ্য হতে পারেন। তাই মামলা নিয়ে যথেষ্ট শংকা রয়েছে। তবে উচ্চ আদালতে আপিল চলাকালে নিম্ন আদালতের সাজা স্থগিত থাকে। আপিলের রায়ের আগেই যদি নির্বাচন হয় তবে এতে অংশ নিতে কারও কোনো বাধা থাকবে না। : আদালত সূত্র জানায়, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দুটি মামলার বিচার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। অনেক জ্যেষ্ঠ নেতার মামলার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। ইতিমধ্যে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার সাজা হওয়ায় আগামী নির্বাচনে তাদের অংশগ্রহণ অনিশ্চিত।  এ ছাড়া কেন্দ্রীয় কমিটি এবং স্থায়ী কমিটির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলায় দ্রুত চার্জশিট দেয়া হচ্ছে। বিশেষ ট্রাইব্যুনালেও অনেক মামলার বিচার চলছে। ওয়ান-ইলেভেনের পর দায়ের করা মামলা নিয়েও নেতারা উদ্বিগ্ন। উচ্চ আদালতে স্থগিত ওই মামলাগুলো ফের চালু হচ্ছে। এ ছাড়া আরও কিছু মামলা চালুর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে। : একাধিক পরোয়ানা নিয়ে আত্মগোপনে আছেন দলের একাধিক নেতা। এরই মধ্যে অনেকেই ওইসব মামলায় জামিন নিতে শুরু করেছেন। আত্মসমর্পণের জন্য উপস্থিত হলে অনেককে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠান আদালত। সর্বশেষ ৪০ মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে দলের যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেলকে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এ ছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি শরীফুল আলমকেও জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠান আদালত। : ওয়ান-ইলেভেনের সময় জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট, গ্যাটকো দুর্নীতি, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি ও নাইকো দুর্নীতিসহ সাতটি মামলা দেয়া হয় দলের চেয়ারপারসনের নামে। বিগত সরকার বিরোধী আন্দোলনের সময় নাশকতার নির্দেশদাতা হিসেবেও তার নামে মামলা দেয়া হয়। সব মিলিয়ে ২৩টি মামলার আসামি বেগম খালেদা জিয়া। এর মধ্যে ১৫টি মামলার কার্যক্রম চলছে বিভিন্ন আদালতে। তার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার কার্যক্রমও শেষ পর্যায়ে। প্রতি সপ্তাহেই বেগম খালেদা জিয়াকে আদালতে একাধিকবার হাজিরা দিতে হচ্ছে। সাজার পর তারেক রহমানের বিরুদ্ধে জারি করা হয়েছে আরেক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা। পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাদের দায়ের করা দুই শতাধিক মামলা আছে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে।   : বিএনপির কেন্দ্রীয় দফতর সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ২৫ অক্টোবর থেকে ২০১৪ সালের ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ৪ হাজার ৫৫১টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত অন্তত ২ লাখ ২৩ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০১৫ সালে ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের বর্ষপূর্তিকে কেন্দ্র করে চলা আন্দোলনেও নেতাদের বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা দেয়া হয়। সব মিলিয়ে সারা দেশে প্রায় ২০ হাজার মামলা দেয়া হয়েছে। এসব মামলায় নামে ও বেনামে প্রায় আট লাখের মতো আসামি রয়েছে। : বিএনপি, আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে ৮৫টি মামলা আছে। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক মামলার অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে। বিশেষ ট্রাইব্যুনালে কয়েকটি মামলার বিচারকার্যও শুরু হয়েছে। সব মামলাতেই তিনি জামিনে আছেন। এসব মামলায় সপ্তাহে দুদিন তাকে আদালতে হাজিরা দিতে হচ্ছে। বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে বর্তমানে ১১টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ওয়ান-ইলেভেন-পরবর্তী সময়ে ৮টি এবং বর্তমান সরকারের আমলে ৩টি মামলা করা হয়েছে। স্থায়ী কমিটির ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের বিরুদ্ধেও মামলা রয়েছে। স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ৯৬টি মামলা রয়েছে। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে ৪০টি মামলার কয়েকটিতে চার্জশিট দেয়া হয়েছে। দ্রুতই ওইসব মামলার বিচার শুরু হবে। এ ছাড়া স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের নামে ২২, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার নামে ১৯, এম কে আনোয়ারের নামে ৪০ ও সালাহ উদ্দিন আহমেদের নামে ৪৭টি মামলা রয়েছে। : ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহানের বিরুদ্ধে ৭টি, ইকবাল হাসান মাহমুদের ৩৭, এজেডএম জাহিদ হোসেনের ১৫, বরকতউল্লা বুলুর ৮৮টি, আবদুল আউয়াল মিন্টুর ১২, শামসুজ্জামান খান দুদুর ২২, শওকত মাহমুদের ৪৫, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমরের ৮, আবদুল্লাহ আল নোমানের ১৩, সেলিমা রহমানের ১১, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেনের ১৮ ও মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদের নামে ৬টি মামলা রয়েছে। চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান ১২৬, জয়নুল আবদীন ফারুক ৩১, মিজানুর রহমান মিনু ১৩, দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নামে ৪৭টি, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের নামে ১৩০টি, হাবিব-উন নবী খান সোহেল ১০১, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুদুর বিরুদ্ধে ৪৫টি, ফজলুল হক মিলন ১২ ও নাদিম মোস্তফার নামে ২৭টি মামলা রয়েছে। এসব মামলার বেশিরভাগেরই চার্জশিট দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নীরবের নামে ২১৫ ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর বিরুদ্ধে ২১২টি মামলা রয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সফিউল বারী বাবুর নামে ৩১টি মামলা রয়েছে। এসব নেতার বিরুদ্ধে দায়ের করা অনেক মামলায় ইতিমধ্যে আদালতে চার্জশিট দেয়া হয়েছে। চলছে বিচার কাজও। : তবে পুলিশ হেডকোয়ার্টার সূত্র জানায়, পুলিশের দেয়া নাশকতার মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সে মোতাবেক অধিকাংশ মামলার অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে। ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় সারাদেশে মোট ৬ হাজার ৪০৮টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়েছে ৫ হাজার ৮০৮টির। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ২৫৩টি মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে। আর এখনো তদন্তাধীন রয়েছে ৩৪৭টি মামলা। এর মধ্যে সর্বাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে রাজধানীতে, ১ হাজার ২৭৭টি। পুলিশ সদর দফতরের সর্বশেষ ত্রৈমাসিক অপরাধ সভায় উপস্থাপিত প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। : প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে মামলা হয়েছে ৩ হাজার ৮৫১টি। এর মধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে ৩ হাজার ৫৫৯টির। আর চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে ১৯৭টির। তদন্তাধীন রয়েছে ৯৫টি মামলা। ওই বছর সবচেয়ে বেশি সহিংসতার ঘটনা ঘটে চট্টগ্রাম রেঞ্জে, মামলার সংখ্যা ৮১১টি। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল রাজধানী ৮০৮টি। তৃতীয় অবস্থানে ছিল রাজশাহী রেঞ্জ, মামলা সংখ্যা ৪২৯টি। : ২০১৪ সালের ১ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত মামলা দায়ের হয়েছে ৭১৯টি। এর মধ্যে অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে ৬৮২টির। আর চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে ৩০টির। তদন্তাধীন রয়েছে ৭টি। মামলার মধ্যে সর্বাধিক ছিল রংপুর রেঞ্জে, সংখ্যা ৩৪০টি। দ্বিতীয় অবস্থানে চট্টগ্রাম, ১০৪টি মামলা। আর তৃতীয় অবস্থানে রাজশাহী রেঞ্জ, মামলা সংখ্যা ১০১টি। এ ছাড়া ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত মামলা হয়েছে ১ হাজার ৮৩৮টি। অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে ১ হাজার ৫৬৭টির। চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে ২৬টির। তদন্তাধীন রয়েছে ২৪৫টি। মামলা দায়েরের মধ্যে প্রথম অবস্থানে ডিএমপি, মামলা সংখ্যা ৪৫৭। দ্বিতীয় অবস্থানে চট্টগ্রাম রেঞ্জ, মামলার সংখ্যা ৩৬৭টি আর তৃতীয় অবস্থানে রাজশাহী রেঞ্জ, মামলা সংখ্যা ২১৭টি। পুলিশ সদর দফতরের একজন কর্মকর্তা জানান, ২০১৬ সালে রাজনৈতিক সহিংসতায় অল্প সংখ্যক মামলা দায়ের করা হয়। এগুলো এখনো তদন্ত পর্যায়েই আছে। : এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেন, সরকার বিএনপির নেতাদের বিভিন্ন মামলায় দ্রুত সাজা দেয়ার চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সাত বছরের সাজা দেয়া হয়েছে। চেয়ারপারসনের মামলাগুলোর কার্যক্রমও দ্রুত শেষ করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, দলের সিনিয়র নেতাদের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। আগামী নির্বাচনে যাতে বিএনপি অংশ নিতে না পারে সে জন্যই সরকার তাড়াহুড়ো করে মিথ্যা মামলায় সাজা দিতে চাচ্ছে। তিনি বলেন, ওয়ান-ইলেভেনের সময় যে নীলনকশা হয়েছিল তারই ধারাবাহিকতা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা সফল হতে পারবে বলে মনে হয় না।
  •