কুয়েতে এক বাংলাদেশীসহ ৭ জনের ফাঁসি কার্যকর

প্রকাশিত: ২:০৪ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৬, ২০১৭

কুয়েতে এক বাংলাদেশীসহ ৭ জনের ফাঁসি কার্যকর

কুয়েতে নেপালি নারীকে ধর্ষণের দায়ে মোহাম্মদ শাহ আলম নামের এক বাংলাদেশি যুবক এবং বিভিন্ন অপরাধে আরও ৬ জনের ফাঁসি কার্যকর করেছে দেশটি। বুধবার স্থানীয় সময় ভোরে এ দণ্ড কার্যকর করা হয়।
এর আগে, ২৮ নভেম্বর ২০০৮ সালে অপহরণের পর ধর্ষণ ও অত্যাচারের দায়ে বাংলাদেশি যুবক শাহ আলমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। পরে ২০১৩ সালে তার বিরুদ্ধে ফাঁসির আদেশ দেয় কুয়েতের সর্বোচ্চ আদালত। শাহ আলমের বাড়ি ঢাকার কদমতলী থানার ফরিদাবাদে।
এদিকে, কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলর আবদুল লতিফ খান জানান, বিগত দুই বছর যাবৎ নেপাল ও বাংলাদেশ দূতাবাস অনেক চেষ্ঠা করেও অভিযোগকারীর খোঁজে পায়নি। ওই নেপালির মালিক ছিল একজন ইরানি। তিনিও কুয়েত ত্যাগ করে চলে গেছেন।
কাউন্সিলর আবদুল লতিফ খানের মতে অভিযোগকারীকে পেলে ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে হয়তো শাহ আলমকে বাচাঁনোর চেষ্টা করা যেত। এজন্য নেপাল দূতাবাস ও বাংলাদেশ দূতাবাস যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন। তবে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। ২৪ জানুয়ারি স্থানীয় সময় বিকাল পৌনে ৪টার দিকে শাহ আলমের সাথে শেষ দেখা করে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ। এরপর তার শেষ ইচ্ছায় মায়ের সঙ্গে প্রায় ৫ মিনিট কথা বলেন শাহ আলম। এ সময় তিনি ছোট ভাই রাসেলকে ভাল করে দেখে রাখতে মাকে অনুরোধ করেন।
ফাঁসি কার্যকর হওয়া অন্যদের মধ্যে একজন ফিলিপাইনের নাগরিক, একজন ইথিওপিয়ার নাগরিক, একজন কুয়েতি নাগরিক এবং দুজন মিশরীয় নাগরিক রয়েছেন।
ফাঁসি কার্যকর হওয়া রাজপরিবারের সদস্য ফয়সাল আবদুল্লাহ আল জাবের আল সাবাহ পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকান্ড সংঘটন এবং অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র রাখার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।
এছাড়া ফাঁসি কার্যকর হওয়া ফিলিপাইনের নাগরিক গৃহকর্মী জাকাতিয়া পাওয়া মালিকের মেয়েকে হত্যার দায়ে দন্ডিত হন।
কুয়েতে সর্বশেষ ২০১৩ সালে তিনজনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছিল। দন্ডিত ওই তিনজনের একজন পাকিস্তানি নাগরিক, একজন সৌদি নাগরিক এবং একজন বেদুঈন (নাগরিকত্বহীন মরুবাসী)।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট