তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না : শেখ হাসিনা

প্রকাশিত: ৩:০৭ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১১, ২০১৭

তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না : শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি জঙ্গিবাদকে উসকে দিচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষ তাদের বিচার করবে। তাদের মুখে গণতন্ত্র, গণতন্ত্র সুরার কথা মানায় না। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ শান্তিতে আছে, স্বস্তিতে আছে। দেশের মানুষ যখন ভাল থাকে বেগম খালেদা জিয়ার মনে তখন অন্তর্জ¡ালা সৃষ্টি হয়। জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী আরো বলেন, এই বাংলাদেশে কোনো জঙ্গিবাদের স্থান হবে না। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৭৫ পরবর্তীতে যারাই মতায় এসেছে তারা দেশের কথা চিন্তা করেনি। তারা শুধু নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত ছিল। জনসভায় দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন। এদিকে জনসভাকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মিছিলের কারণে অনেক সড়কে দুপুর থেকেই যানজট দেখা দেয়। কিছু সড়কে যান নিয়ন্ত্রণ করায় অনেকে পায়ে হেঁটে নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে দেখা যায়। বিএনপি মতায় থাকাকালে দেশের উন্নতি না করে পেছন দিকে গেছে বলে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ভূতের পা নাকি পেছন দিকে চলে। ওরা ভূত দেখেছিল কিনা জানি না।’ তিনি বলেন, ‘সাত বছর পর মতায় এসে দেখি ৩০ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য ঘাটতি। তাদের দোসর কে? জামায়াতে ইসলামী। তারা কারা? যুদ্ধাপরাধী। তারা দেশকে পিছিয়ে দিয়েছে। তারা সন্ত্রাস, লুটপাট, জঙ্গিবাদ, বাংলাভাই ছাড়া তারা কিছু দিতে পারেনি। সরকারপ্রধান বলেন, আজকে ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। কঠোর হস্তে সন্ত্রাস দমন করছি। তারা কী করেছে? মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে। বিএনপির নেত্রী আন্দোলনের নামে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে, মানুষ হত্যা করেছে। তিনি নির্বাচন করতে দেবেন না, নিজেও করবেন না। তারপর হত্যা শুরু করেন। : আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘গণ-আদালতে এদের বিচার হবে। আপনি (খালেদা জিয়া) এতিমের টাকা চুরি করে খেয়েছেন, কোর্টে হাজিরা দিতে যান। একদিন যান, ১০ দিন যান না, ব্যাপারটা কি? কথায় বলে চোরের মন পুলিশ পুলিশ।’ : সংসদ নেতা বলেন, ‘আমাদের ল্য যে, এই দেশের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়ার সুযোগ পাবে। আমরা প্রাইমারি থেকে, শুধু তাই না, প্রি-প্রাইমারি থেকে বিনামূল্যে বই দিয়েছি। পৃথিবীর কোনো দেশে এমন হয় না। ছাত্র থেকে ছাত্রীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। আমরা বৃত্তি দিয়ে যাচ্ছি, অন্ধরা ব্রেইল পদ্ধতিতে পড়ালেখার সুযোগ পাচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু যে কথা বলেছিলেন এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। আমরা তার কাজ করে যাচ্ছি। আমরা পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করি। আমরা পঞ্চম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছি। আমরা এখন সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছি। সেটা বাস্তবায়ন করছি। আমরা দারিদ্র্যের হার ২২ ভাগে নামিয়ে এনেছি। আমাদের ল্য ৭-৮ ভাগে আনা।
  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট