জেলা পরিষদ নির্বাচন কাল

প্রকাশিত: ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৭, ২০১৬

♦ সরকার সমর্থক প্রার্থী এগিয়ে থাকলেও তাঁর ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা
শেষ হাসি কে হাসবেন তা দেখা যাবে ভোট গণনার পর
বিশেষ সংবাদদাতাঃ প্রথমবারের মতো আয়োজিত বহুল আলোচিত জেলা পরিষদ নির্বাচন কাল। গতকাল সোমবার রাত ১২টা থেকে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু এরপরও প্রার্থীদের অনানুষ্ঠানিক প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে। তবে গতকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকায় হিসেব-নিকেশ শুরু হয়ে গেছে। প্রথমবারের মতো সিলেটের জেলা পরিষদে নির্বাচিত হয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে কে আসছেন, তাই নিয়ে।
সিলেটের জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মূলতঃ প্রার্থী রয়েছেন ৪ জন। এরমধ্যে সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান, সরকারি দলের প্রভাবশালী নেতা এডভোকেট লুৎফুর রহমান (আনারস), একসময়ের তুখোড় ছাত্রনেতা, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউদ্দিন লালা (ঘোড়া), বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী অধ্যক্ষ ড. এনামুল হক সর্দার (কাপ-পিরিছ) এবং প্রবাসী সমাজসেবী ফখরুল ইসলাম (মটর সাইকেল) প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন। বিভিন্ন জরিপে জানা গেছে, সরকারি দলের জেলা সভাপতি হিসেবে এডভোকেট লুৎফুর রহমান মোটামুটি ভাল অবস্থানে রয়েছেন। বেশ কিছু সংখ্যক ভোটারের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা নানা কারণে অনস্বীকার্য। তাঁর সাথে সাথেই যার নাম ভোটারদের মধ্যে বেশী আলোচিত হচ্ছে, তিনি হচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা জিয়াউদ্দিন লালা। এ প্রতিবেদকের সাথে বিভিন্ন ভোটারের আলোচনায় এমনি চিত্রই ফুটে উঠেছে। অবশ্য অধ্যক্ষ ড. এনামুল হক সর্দারও খুব একটা পিছিয়ে নেই। আর ফখরুল ইসলামকে ভোটাররা স্থায়ী প্রবাসী হিসেবে তেমন একটা হিসেবের মধ্যে না আনলেও তাঁর অবস্থানও খারাপ নয়।
এক জরিপে দেখা গেছে, নির্দিষ্টসংখ্যক ভোটারের মধ্যে প্রায় ৩৩% ভোটার এডভোকেট লুৎফুর রহমানকে ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন। তার সাথে সাথেই প্রায় ৩২% ভোটারের সমর্থন রয়েছে জিয়াউদ্দিন লালার প্রতি। আর ২৪% ভোটার অধ্যক্ষ ড. এনামুল হক সর্দারের প্রতি তাদের আস্থা ব্যক্ত করেছেন। আর ফখরুল ইসলাম হয়তো ২% ভোট পেতে পারেন। বাকি ভোটার এ জরিপকালে কাকে ভোট দেবেন সে সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেননি বলে জানিয়েছেন। এ পর্যায়েও ভোটের হার কম-বেশও হতে পারে বলে অভিজ্ঞমহল মনে করেন। তবে জেলা পরিষদ নির্বাচন রাজনৈতিকভাবে না হলেও রাজনীতি যে এখানে বেশ বড় একটি ভ‚মিকা রাখবে, তা অনস্বীকার্য। কারণ বতর্মান সরকারের বিভিন্ন কর্মকান্ডে বেশ কিছু ভোটার আস্থাশীল। আবার কিছু ভোটার রয়েছেন, যারা নিরবে সরকারের অনেক কর্মকান্ডে বীতশ্রদ্ধ হয়ে সরকারি দলের অঘোষিত প্রার্থীর প্রতি আস্থা রাখতে পারছেন না। তবে ভোট গণণা শেষ হওয়ার পূর্বে কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তাই আমাদেরকে অপেক্ষা করতে হবে নির্বাচনী কার্যক্রমের শেষ আনুষ্ঠানিকতা পর্যন্ত।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট