সিলেট ইজতেমা মাঠ : জেনে নিন কোন খিত্তায় কার এলাকা

প্রকাশিত: ২:৫৫ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৬, ২০১৬

সিলেট ইজতেমা মাঠের মানচিত্রে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে কোন খিত্তায় কোন কোন এলাকার মানুষ অংশ নিতে হবে। সিলেটভিউ২৪ডটকম কর্তৃপক্ষ মুসল্লীদের সুবিধার্থে ও পাঠকদের জন্য বিষয়টি তুলে ধরলো।

মাঠের পশ্চিমদিকে ১ নম্বর খিত্তাতে রয়েছে মিম্বর। এই খিত্তায় কানাইঘাট উপজেলা ও খাদিমপাড়া ইউনিয়নের এলাকার মুসল্লীরা অংশ নিবেন।

২ নম্বর খিত্তাতে গোয়াইনঘাট উপজেলা ও সিলাম ইউনিয়নের মুসল্লীরা অংশ নিবেন।

৩ নম্বর খিত্তাতে জৈন্তাপুর উপজেলা ও হাটখোলা ইউনিয়নের মুসল্লীরা অংশ নিতে হবে।

৪ নম্বর খিত্তাতে অংশ নিতে হবে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ও জালালাবাদ ইউনিয়নের মুসল্লীরা।

৫ নম্বর খিত্তাতে থাকবেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা এবং টুকেরবাজার ও কান্দিগাঁও ইউনিয়নের মুসল্লীবৃন্দ।

৬ নম্বর খিত্তাতে থাকবেন বালাগঞ্জ উপজেলা ও জালালপুর ইউনিয়নের সাথীরা।

৭ নম্বর খিত্তা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বিশ্বনাথ উপজেলা ও মোগলগাঁও ইউনিয়নের সাথীদের জন্য।

৮ নম্বর খিত্তাতে থাকবে ওসমানীনগর উপজেলা ও দাউদপুর ইউনিয়নের মুসল্লীবৃন্দ।

৯ নম্বর খিত্তাতে থাকবে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ও খাদিমনগর ইউনিয়নের মুসল্লীবৃন্দ।

১০ নম্বর খিত্তাতে থাকবেন বিয়ানীবাজার উপজেলা এবং লালাবাজার ও তেতলি ইউনিয়নের মুসল্লীবৃন্দ।

১১ নম্বর খিত্তাতে থাকবেন জকিগঞ্জ উপজেলা ও মোগালাবাজার ইউনিয়নের মুসল্লীবৃন্দ।

সিলেটে তিনযুগ পর আয়োজন করা হয়েছে ইজতেমার। টঙ্গির বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে মুসল্লীদের স্থান সংকুলান না হওয়ার কারণে এবছর থেকে পৃথকভাবে বিভাগওয়ারি ইজতেমা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছেন তাবলীগের শীর্ষমুরব্বীরা।

আগামী ২৯, ৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর দক্ষিণ সুরমার মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের সুনামগঞ্জ বাইপাস সড়ক সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিতব্য এই ইজতেমায় বিদেশীসহ বিভিন্ন স্থানের ১২ লাখ মুসল্লির সমাগম ঘটবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

৬শ’ কেদার (প্রায় ২শ’ একর) জমি জুড়ে সিলেট জেলার ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। প্রস্তুতি প্রায় প্রায় শেষের দিকেই রয়েছে।

তাবলীগের সাথীদের সূত্রে জানাগেছে- মাঠে ১১টি খিত্তা থাকবে। ১৬টি করে এক একটি পয়েন্টে সাজানো মাঠে ২শ’টি মসজিদ ওয়ালি হবে। এ ছাড়া মাঠের দক্ষিণ পাশে ৫ থেকে ৬ হাজার মুসল্লির যাতে এক সাথে ওজু করতে পারেন, সেজন্য থাকবে একটি বিশাল ওজুখানা। এই ওজুখানা ছাড়াও আরো ৩৫ থেকে ৪০টি ছোট ওজু খানার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মাঠের একপাশে অন্তত ২ হাজার শৌচাগার থাকবে; ৫টি গভীর নলকূপসহ প্রায় ১২ থেকে ১৫টি নলকূপ বসানো হবে।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট