মিয়ানমারে মুসলিম গণহত্যা বন্ধে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ সমাবেশ

প্রকাশিত: ৪:৩১ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৩, ২০১৬

হিন্দু মারা গেলে চিতায় যেমন ভাবে পোড়ানো হয় মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের তার চেয়েও করুণ পরিণতীতে জীবিত অবস্থায় পোড়ানো হচ্ছে। অথচ চীন মুসলিম রাষ্ট্র না হয়েও রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্য সীমান্ত খুলে দিয়েছে কিন্তু ৯২ ভাগ মুসলমানদের বাংলাদেশে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ঢুকতে না দিয়ে রোহিঙ্গা নারী শিশু বোঝাই নৌকাগুলো সাগরে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটা কোন মুসলমান করতে পারেনা।

রোহিঙ্গা হত্যাকান্ড বন্ধে সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দ বলেন, জাতীয় সংসদে আপনারা যে সমস্ত মুসলমান এমপি রয়েছেন আপনারা মহান সংসদে দাঁড়িয়ে মিয়ানমারে মুসলিম গণহত্যার প্রতিবাদ করুন। এতে সরকার বাধা দিলে সংসদ থেকে আপনারা পদত্যাগ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন। দেশবাসী চিরদিন আপনাদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এ সরকার ইসলামী শিক্ষা বাদ দিয়ে হিন্দুত্ববাদী ও নাস্তিক্যবাদী শিক্ষানীতি চালুর পায়তারা করছে। তাই মিয়ানমারে মুসলিম গণহত্যা যতদিন পর্যন্ত বন্ধ না হবে এবং নাস্তিক্যবাদী শিক্ষানীতি বাতিল করা না হবে। ততদিন পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

মিয়ানমারে মুসলিম গণহত্যা বন্ধের দাবীতে এবং পীর সাহেব চরমোনাই কর্তৃক মিয়ানমার অভিমুখে লংমার্চে সরকারের বাধা প্রদানের প্রতিবাদে গতকাল ২৩ ডিসেম্বর শুক্রবার বাদ জুম্মা সিলেট নগরীর বন্দরবাজারস্থ কেন্দ্রিয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট জেলা ও মহানগর এর উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আম্বরখানা পয়েন্টে সমাবেশে মিলিত হয়। মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

মহানগর সভাপতি মুফতি মো. ফখরুদ্দিনের সভাপতিত্বে ও মহানগর সেক্রেটারী ডা. রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা সভাপতি নজির আহমদ, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন সিলেট জেলা সভাপতি ফজলুল হক, ইশা ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা সভাপতি মুহা. সোহেল আহমদ, জাতীয় শিক্ষক ফোরাম সিলেট জেলা আহবায়ক মাওলানা আব্বাস উদ্দিন, ইসলামী যুব আন্দোলন জেলা আহবায়ক মাওলানা নযির হোসেন সহ জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট