আদালতে খাদিজার সাক্ষ্য গ্রহণ ৮ জানুয়ারি

প্রকাশিত: ৩:৫৮ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৬

হত্যাচেষ্টা মামলায় সিলেট সরকারী মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিসকে আগামী ৮ জানুয়ারি আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দিতে বলেছেন বিচারক।

বৃহস্পতিবার সিলেটের মুখ্য মহানগর বিচারিক হাকিম মো. সাইফুজ্জামান হিরো এ নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগে বৃহষ্পতিবার সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক রেজাউস সাত্তার খাদিজা বেগমের হত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি খাদিজার চিকিৎসার বিবরণ দিয়েছেন।

আদালতের এপিপি মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘ডা. রেজাউস সাত্তারের সাক্ষ্য প্রদানের মধ্য দিয়ে খাদিজা হত্যাচেষ্টা মামলায় ৩৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের প্রথম দিন বদরুল আলমের বিরুদ্ধে আদালতে ১৭ জন সাক্ষ্য দেন। পরে ১১ ডিসেম্বর সাক্ষ্য দেন আরো ১৫ জন।’

চিকিৎসক বলেন, খাদিজা বেগম নার্গিস এখন সাভারের সিআরপিতে আছেন। বর্তমানে খাদিজার যে শারীরিক অবস্থা, এতে তিনি আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারবেন।

তার এই বক্তব্যের পর আদালত আগামী ৮ জানুয়ারি খাদিজা বেগমকে আদালতে হাজির হতে বলেন।

আদালত সূত্র জানায়, এ মামলায় গত ১১ ডিসেম্বর ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে। এই ১৫ জনের মধ্যে খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া, মা মনোয়ারা বেগমও ছিলেন। এর আগে ৫ ডিসেম্বর প্রথম পর্যায়ের ১৭ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। মামলার ৩৭ সাক্ষীর মধ্যে ৩৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৪ অক্টোবর সিলেট এমসি কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে বিএ (পাস) পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়ার পর খাদিজাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা বদরুল আলম। ঘটনার পরপরই বদরুলকে ধরে পুলিশে দেয় স্থানীয় জনতা।

এ ঘটনায় পরদিন হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বদরুলকে একমাত্র আসামি করে মামলা করেন খাদিজার চাচা আবদুল কুদ্দুস। পরে আদালতে হত্যাচেষ্টার দায় স্বীকার করে বদরুল জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার ৫৫ দিনের মাথায় পুলিশ বদরুলকে একমাত্র অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দিলে বিচার-প্রক্রিয়া শুরু হয়।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট