ছাতকে জলমহালের মাছ লুঠকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩০

প্রকাশিত: ২:৫৭ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১১, ২০১৬

মাছের খামার ও জলমহালের মাছ লুঠপাটের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাতকের কালারুকা ইউনিয়নের রায়সন্তুসপুর গ্রামে ইজারাদার ও তার পক্ষের লোকজনের সাথে প্রতিপক্ষের লোকজনের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় অন্তত ৩০জন আহত হন।
শনিবার সকাল ৯টার দিকে ঝাওয়ারপাড়া বিলে এই ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছে। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুুতি চলছে।
সংঘর্ষ চলাকালে মধ্যস্থতাকারী ছাতক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুলের পিএস কাওসার আহমদ আহত হন। গুরুতর আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গুরুতর আহতরা হলেন, কালারুকা ইউপি সদস্য মো. আকল মিয়া, আব্দুল করিম, মছব্বির আলী, শাহাব উদ্দিন, কুতুব উদ্দিন, সাদিক মিয়া, আব্দুল মতিন, লকুছ মিয়া, ইয়াহসামিন, গৌছ আলী, সুয়েব আহমদ, জুয়েল আহমদ।
ইজারাদার আকল মিয়া ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছু দিন ধরে একই এলাকার ছালিক মিয়া, ফিরোজ আলী সহ তাদের লোকজন ইউপি সদস্য আকল মিয়ার (৪০) মালিকানাধীন খামার ও জলমহল থেকে মাছ লুঠপাঠ সহ নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে যাচ্ছিলেন। শনিবার এসব ঘটনার প্রতিবাদ জানালে ছালিক মিয়া ও ফিরোজ আলীর নেতৃত্বে কতিপয় সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র–শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঝাউয়াবিলের বৈধ ইজারাদার আকল মিয়ার উপর হামলা চালায়। খবর পেয়ে তার লোকজন এগিয়ে আসলে সংঘর্ষ বেধে যায়। দ্’ুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে প্রায় ৩০জন আহত হন। এসময় সন্ত্রাসীরা বিলে ব্যবহৃত ২টি শ্যালো মেশিন ও মাছ ধারার জাল সহ মাছ লুটপাট করে নিয়ে যায়। শুধু তাই নয়, সংঘর্ষকালে ইজারাদার আকল মিয়ার বিল সংলগ্ন বাসাও পুড়িয়ে দিয়ে লুঠপাট করা হয়।

ছাতক থানার ওসি আহমদ সুজা মামুন সংঘর্ষের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। মামলা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট