তারেক রহমানের ৫২তম জন্মবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত: ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২০, ২০১৬

মোস্তাফিজুর রহমান বিপ্লব : বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রাণপুরুষ, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান, নির্যাতিত নন্দিত জননেতা তারেক রহমানের ৫২তম জন্মদিন আজ। ১৯৬৫ সালের এইদিনে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্র, ইসলামী মূল্যবোধ ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, সফল রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও তিনবারের সফল সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঘর আলোকিত করে জন্মগ্রহণ করেন  জ্যেষ্ঠপুত্র তারেক রহমান। তার ৫২তম জন্মদিন এবার এমন এক সময়ে এলো যখন একদলীয় স্বৈরাচারী সরকার ক্ষমতা আঁকড়িয়ে দেশে অঘোষিতভাবে নিষিদ্ধ করেছে বিরোধীদলের রাজনীতি। ৫ জানুয়ারির মতো ভোটার ও প্রার্থীবিহীন কলঙ্কিত এক প্রহসনের মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে ক্ষমতাসীনরা দেশজুড়ে সংখ্যালঘু নির্যাতন, খুন, গুম, হত্যাযজ্ঞ, দখলবাজির মাধ্যমে লুটপাটের পাশাপাশি তারেক রহমানের বিরুদ্ধে শতাধিক সাজানো মামলা দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। তার ৫২তম জন্মদিন উপলক্ষে বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ড্যাবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। তার জন্মস্থান বগুড়া বিএনপির উদ্যোগেও ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। : দেশের স্বাধীনতা-সার্ভভৌমত্ব অক্ষুণœœ ও স্বনির্ভরতা অর্জন করতে গিয়ে দেশি বিদেশি অপশক্তির ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে দেশপ্রেমিক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শাহাদত বরণ করায় মাত্র ১৫ বছর বয়সেই পিতৃহারা হন তারেক রহমান। দেশের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল থেকে তিনি মাধ্যমিক ও ঢাকার বিএফ শাহীন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এলএলবিতে পরে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রথম বর্ষে ভর্তি হন এবং স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্সে ভর্তি হন মেধাবী ছাত্র তারেক রহমান। শিক্ষাজীবন শেষে ব্যবসাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন তিনি। বস্ত্রশিল্পে বিনিয়োগ করে স্বল্প সময়ের মধ্যে ব্যবসায় সফলতা লাভ করেন। পরে তিনি নৌ-যোগাযোগ খাতে বিনিয়োগ করে সফলতা অর্জন করেন। তারেক রহমান ১৯৯৪ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান, সাবেক যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রী রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের বড় মেয়ে ডা. জুবায়দার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের একমাত্র কন্যা জায়মা রহমান সম্প্রতি লন্ডনের স্কুল থেকে কৃতিত্বে সাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন। : নন্দিত জননেতা তারেক রহমান কিশোর বয়সে ১৯৮১ সালে পিতাকে হারালেও পড়াশুনার পাশাপাশি স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে  তার মায়ের সহচর হিসেবে অংশ নেন। পিতা শহীদ  প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বগুড়া কমিটির সদস্য হিসেবে তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়। মাত্র ২২ বছর বয়সে ১৯৮৮ সালে তারেক রহমান বগুড়া জেলার গাবতলী থানা বিএনপির সদস্য হন। আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনে যোগ দেয়ার আগেই তারেক রহমান রাজনীতিতে অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির রাজনীতিতে প্রায় নেপথ্যে থেকে সক্রিয় হয়ে উঠেছিলেন তারেক রহমান। তারই রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, অনবদ্য পরিকল্পনা ও প্রজ্ঞার কারণে বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট বিপুল ভোটে বিজয়ী হয় ২০০১ সালের নির্বাচনে। দীর্ঘদিন দলের রাজনীততে গুরুত্বপূর্ণ কাজে নেপথ্যচারীর ভূমিকা পালন করলেও  অবশেষে ২০০২ সালে তিনি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পান। ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তারেক রহমান সংগঠনের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এবারো ৬ষ্ঠ কাউন্সিলে তারেক রহমান সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। : রাজনীতিতে এসেই তারেক রহমান বুঝতে পারেন দেশের উন্নয়ন চাইলে গ্রাম গঞ্জের উন্নয়ন করতে হবে। তাই তিনি পিতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পথ অনুসরণ করে গ্রামে-গঞ্জের পথে প্রান্তরে ঘুরে বেড়িয়েছেন। তিনি গ্রামাঞ্চলের কৃষক-মজুর-খেটে খাওয়া গরীব-দুঃখী মানুষের কাছে গিয়ে তাদের সুখ-দুঃখ সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তারেক রহমান বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের মধ্যে গভীর সেতুবন্ধন নির্মাণ করতে তৃণমূল ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন। এসব সম্মেলনে কর্মীরা দলীয় রাজনীতি ও সংগঠন সম্পর্কে মন খুলে কথা বলেছেন। এ সভাগুলোতে তারেক রহমান মূলত দলের গঠনতন্ত্র, উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নেতাকর্মীদের সাথে দীর্ঘ মতবিনিময় করেন। বিস্তারিত মতবিনিময়ের বিষয়বস্তুর মাঝে আরও ছিল প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নে দলের করণীয় ও দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন-অগ্রগতি নিশ্চিতকরণে সরকারী দল হিসেবে বিএনপির করণীয় প্রসঙ্গে আলোচনা। তৃণমূল পর্যায়ের এই সভা ও জনসংযোগ কার্যক্রমের ফলে দলের নেতাকর্মীদের তরুণ অংশটির মনোবল অসাধারণভাবে বৃদ্ধি পায়। তিনি ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলনের মাধ্যমে যেভাবে তৃণমূলে দলের শেকড় প্রোথিত করেন তাতে অশুভ রাজনৈতিক শক্তির পায়ের তলা থেকে মাটি সরতে থাকে। তারেক রহমান সরাসরি রাজনীতিতে অংশগ্রহণের পরই তার জনপ্রিয়তায় ও জাতীয়তাবাদী শক্তির জাগরণে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা ভীত হয়ে চক্রান্ত শুরু করে। বিএনপি ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের দলা পাকানো হয় এবং এই চেষ্টা আজও অব্যাহত আছে। যড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে অবৈধভাবে সেনা হস্তক্ষেপের পর তারেক রহমানের ওপর নেমে আসে অমানুষিক নির্যাতন। ২০০৭ সালের ৭ মার্চ গভীর রাতে যৌথবাহিনীর সদস্যরা কোনো ওয়ারেন্ট, মামলা এমনকি কোনো অভিযোগ ছাড়াই ঢাকা সেনানিবাসের শহীদ মইনুল রোডের বাসভবন থেকে তারেক রহমানকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর থেকে দিনের পর দিন রিমান্ডে নিয়ে তাকে নির্যাতন করে শারীরিকভাবে প্রায় পঙ্গু করে দেয়া হয়। গ্রেফতারের ১৬ ঘন্টা পর গুলশান থানায় এক কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে জনৈক ব্যবসায়ীকে দিয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক প্রথম মামলা করা হয়। ওই ব্যবসায়ী পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেয় এবং কিভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে দিয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করতে বাধ্য করা হয় তা জনসমক্ষে প্রকাশ করে। এভাবে পর্যায়ক্রমে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মোট ১২টি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। সেনা সমর্থিত সরকারের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাজানো মামলা দায়ের অব্যাহত থাকে। মানি লন্ডারিং মামলা, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলাসহ মোট ১৭টি মামলা করা হয় তার বিরুদ্ধে। কিন্তু একটি মামলাও আজ পর্যন্ত প্রমাণ করতে পারেনি। বরং সরকারের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় শক্তি প্রয়োগ করে সাজানো তদন্ত ও সাক্ষি উপস্থাপন করলেও বিশেষ আদালত রায়ে মানি লন্ডারিং মামলা থেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ ঘোষণা করে বেকসুল খালাস প্রদান করেছেন তারেক রহমানকে। এরপর প্রতিহিংসাবশত তারেক রহমানকে খালাশ দেয়া বিচারপতিও সরকারের হুমকিতে পালিয়ে আছেন। সরকারি জোর তৎপরতায় হাইকোর্ট তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এই মামলা দন্ড দেয়। বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করেও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ বের করতে পারেনি। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আরো শতাধিক মামলা দয়ের করে ওয়ারেন্ট ইস্যু করে। : তারেক রহমানকে গ্রেফতারের পর তার ওপর যেভাবে শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে পঙ্গু করে দেয়া হয় তা মনে করলে আজো শরীর শিউরে ওঠে। আজো তিনি সেই নির্মম নির্যাতনের যাতনা আর ক্ষতচিহ্ন বহন করে চলেছেন। বর্তমানে তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশের তারুণ্যের এই ‘রাজনীতিক আইডল’ বহুমাত্রিক ষড়যন্ত্রের নাগপাশ ছিন্ন করে রাজনীতির নতুন দিশার বর্ণাঢ্য আলোক রোশনাই ছড়িয়ে সমুখে ধাবমান। এক মর্মন্তুদ ক্ষত নিয়ে তিনি প্রবাসী থাকলেও তার মনপ্রাণ পড়ে আছে দেশেই। প্রতিবারের মতো এবারো  এই হিরন্ময় তরুণ নেতার জন্মদিনটি এলেও তা সুদূর প্রবাসে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকে পালন করতে হচ্ছে। জন্মদিনে তারেক রহমান দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন। : তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে কর্মসূচি : বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫২তম জন্মদিন উপলক্ষে বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনগুলো ব্যাপক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। শুক্রবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি এ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, আগামী ২০ নভেম্বর রবিবার বেলা ২টায় রাজধানীর রমনাস্থ ইন্সটিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স-বাংলাদেশ মিলনায়তনে তারেক রহমানের ৫২তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনা সভায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও দেশের বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখবেন। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫২তম জন্মদিন উপলক্ষে গতকাল শনিবার রাত ১২টা ১ মিনিটে গুলশান চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে কেক কেটে জন্মদিনের কর্মসূচি শুরু হবে। বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই কেক কাটবেন। বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন এ কর্মসূচির আয়োজন করছে। : এছাড়া ২১ নভেম্বর ২০১৬, সোমবার বাদ আসর নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির উদ্যোগে তারেক রহমানের জন্মদিনে তার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে প্রতিবারের ন্যায় এবারও ২০ নভেম্বর রবিবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচ তলায় ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারা চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হবে। : বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫২তম জন্মদিন উপলক্ষে সারাদেশে জেলা, মহানগর, থানা-উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও অন্যান্য কর্মসূচি পালন করবে। : দুর্গাপুরে তারেক রহমানের জন্মদিনে কর্মসূচি : খন্দকার শাহীন আফরোজ দুর্গাপুর নেত্রকোণা থেকে জানান, নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর-কলমাকান্দা উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে তারেক পরিষদ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সাতদিনব্যপী সদস্য সংগ্রহ শুরু করার আগে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয় গতকাল শনিবার। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সার্বিক তত্ত্ব¡াবধানে এই সদস্য সংগ্রহের কাজ ২০ নভেম্বর রবিবার বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্মদিনে কেক কাটা এবং জন্মদিনের র‌্যালির মাধ্যমে দুর্গাপুর উপজেলার পৌরসভাসহ সাতটি ইউনিয়নে একযোগে শুরু হবে। প্রস্তুতি সভায় তারেক জিয়া পরিষদের উপজেলা আহ্বায়ক আবু সিদ্দীক রুক্কুর সভাপতিত্বে দলের সার্বিক দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন ছাত্রদলের সভাপতি বাবু অসিম সাহা। তিনি বলেন, দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা উপজেলার মানুষ এই জন্যই ভাগ্যবান যে, আমাদের প্রাণ প্রিয় নেতা ব্যারিস্টার কায়সার কামাল কেন্দ্রীয় বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক। তাই তিনি ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে উপজেলা ছাত্রদল ও তারেক পরিষদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানান। : তিনি আরো বলেন, আমরা সকলেই পৌরসভাসহ প্রত্যেকটি ইউনিয়নে গ্রুপ করে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সদস্য সংগ্রহের কাজ করে যাবো। সেই সাথে আগামী ২০ নভেম্বর রবিবার  বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জননন্দিত নেতা তারেক রহমানের জন্মদিন পালন করবো। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্মদিনকে কেন্দ্র করে দুর্গাপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পাড়া-মহল্লায় তারেক জিয়ার ছবি সম্বলিত ফেষ্টুন-ব্যানারে ছেয়ে গেছে। তারেক রহমানের জন্মদিনকে সামনে রেখে নেতা-কর্মীদের মাঝে প্রাণ সঞ্চারের ঢেউ খেলছে। অপরদিকে দুর্গাপুর ও কলমাকান্দায় ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নেতৃত্বে বিএনপি মনোনীত নির্বাচিত চেয়ারম্যানগণও তারেক রহমানের জন্মদিনে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। দলীয় কার্যালয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে করে দলীয় পতাকা উত্তোলন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়া, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্প অর্পণ করবেন। পুষ্প অর্পণ শেষে তারেক পরিবারের শান্তি কামনায় মিলাদ দোয়া মাহফিলসহ বিশেষ মোনাজাত করবেন। : প্রস্তুতি সভায় উপজেলা ছাত্রদল নেতা সম্রাট গণির সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোহমদ আনোয়ার হোসেন আসাদ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন মাষ্টার, পৌর যুবদল সভাপতি মো: নুর উদ্দীন আহমদ সৈকত, ছাত্রনেতা নোমান আহমেদ, যুবনেতা ইউসুফ খান, হান্নান মাসুম বিল্লাহ, আমিনুল, শরিফ, হৃদয়, এখলাছ, সজিব   শাহ, কাইয়ুম, সুরঞ্জন পন্ডিত, রতন, সানী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট