বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা যুবদলের আলোচনা সভা

প্রকাশিত: ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৮, ২০১৬

দক্ষিণ সুরমা উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমার স্টেশন রোডস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা যুবদলের অন্যতম নেতা সোনাহর আলী সোহেলের সভাপতিত্বে ও সামছুল ইমলাম টিটুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা যুবদলের প্রচার সম্পাদক ও উপজেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক আলী আহমদ হিরা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদল নেতা সাহেদ আহমদ, অন্যান্য দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন উপজেল যুবদল নেতা এ এম শামীম, নাহিদ আলম দুলাল, মামুন আহমদ, কাওছার আহমদ নামর, ফজলু মিয়া, আলী আহমদ, নুরুল ইসলাম সুজন, জুয়েল আহমদ, মিলন আহমদ, জয়নাল আহমদ, লিটন আহমদ, রাসেল আহমদ, ইফতেখার আহমদ সুমন, নূরুল ইসলাম, মুনাইম খান মুন্না, মুক্তার আহমদ, সেলিম আহমদ, জাহাঙ্গীর আলম, মুস্তাক আহমদ, বাবলু আহমদ, মাশেদ আহমদ, মিছবাহ উদ্দিন, মাছুম পারভেজ তারেক, মালেক আহমদ, নুরুল হুসেন, জুমেল আহমদ, সাহেদ আহমদ, শাহ লাইন ওলি, জয়নাল আহমদ, মিলন তালুকদার, দিলয়ার আহমদ, তারেক আহমদ, জাকির হোসেন, মোঃ আশিক, লয়েক আহমদ প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে আধিপত্যবাদী চক্রের সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে আমাদের জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয় বুকে নিয়ে সিপাহী-জনতা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজপথে নেমে এসেছিলো। তাদের ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মাধ্যমেই রক্ষা পায় সদ্য অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা। কয়েকদিনের দুঃস্বপ্নের প্রহর শেষে সিপাহী-জনতা ক্যান্টনমেন্টের বন্দিদশা থেকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক, স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপদ্রষ্টা এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সফল রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে মুক্ত করে দেশ পরিচালনার গুরু দায়িত্ব অর্পণ করে। তাই ৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনের এক অনন্য ঐতিহাসিক তাৎপর্যমন্ডিত দিন। সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদ, এক নায়কতন্ত্র, একদলীয় শাসন, জনজীবনের বিশৃঙ্খলাসহ তখনকার বিরাজমান নৈরাজ্যের অবসান ঘটে। একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ থেকে দেশ একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশে ফিরে আসে।
শেষে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম কয়েছের মাতার মৃত্যুতে মরহুমের রূহের মাগফেরাত কামান করে দোয়া করা হয়। -বিজ্ঞপ্তি

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট