ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে তিস্তা চুক্তির সম্ভাবনা

প্রকাশিত: ৫:০৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৭, ২০১৬

ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের কথা জানিয়ে সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আশা প্রকাশ করে বলেছেন, সেই সফরে তিস্তা চুক্তির বিষয়ে ইতিবাচক সমাধান হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলার সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

তিনি আরো জানান, সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় ভারতীয় হাইকমিশনার তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

এসময় ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একজন পরিশ্রমী ব্যক্তি। তিনি ত্যাগী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও একজন সাবেক ছাত্রনেতা। ওবায়দুল কাদের দলের সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় ভারত খুবই খুশি হয়েছে। তাই আমরা তাকে অভিনন্দন জানাতে এসেছি।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফর করবেন। সেই সফরে তিস্তা চুক্তির বিষয়ে ইতিবাচক সমাধান আসবে আশা করছি।

তিনি বলেন, ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক দীর্ঘদিনের। তাই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পার্টি টু পার্টি, পিপল টু পিপল কানেক্টিভিটি জোরদারে কাজ করছি আমরা।

এক প্রশ্নের জবাবে সড়ক ও সেতুমন্ত্রী বলেন, তিস্তা চুক্তি নিয়ে ভারতের কোনো আপত্তি আছে বলে আমি জানি না। পশ্চিমবঙ্গের সরকারের সঙ্গে যেটুকু সমস্যা আছে তা সমাধান হবে। তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে আমি আশাবাদী।

তিনি বলেন, সীমান্ত চুক্তি ও ছিটমহল হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে ভারতের সঙ্গে অবিশ্বাস, সন্দেহের দেয়াল ভেঙে গেছে। দুই দেশের মধ্যে গঠনমূলক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার জন্য আমরা কাজ করছি।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন নিজস্ব বিষয়। এ নিয়ে ভারতের কোনো পরামর্শ নেই। বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হোক তা আমরা চাই। এ বিষয়ে ভারতের কিছুই বলার নেই।

তিনি বলেন, সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন হওয়া নিয়ে সংবিধানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই ওই সময়েই নির্বাচন হবে। আমরা প্রস্তুতি শুরু করেছি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন প্রসঙ্গে সংবিধানে দিক নির্দেশনা আছে। এটিকে কেন্দ্র করে কোনো কনফিউশন তৈরি করা ঠিক হবে না। বিএনপি যদি এটিকে কেন্দ্র করে কোনো কনফিউশন তৈরি করে, তাহলে তারা নিজেদের তৈরি করা ফাঁদে পা দেবে। সংবিধানে যা আছে আমরা তাই করবো।

  •