নেতৃত্ব নির্বাচনে সম্মেলনের গুরুত্ব কতটা?

প্রকাশিত: ২:০৮ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২২, ২০১৬

বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো রাজনৈতিক দল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন শুরু হলো আজ শনিবার।

দুদিনের এ সম্মেলনে যোগ দিতে সারাদেশ থেকে নেতা-কর্মী-সমর্থকরা এসে ইতোমধ্যেই জড়ো হয়েছেন ঢাকায়।

এ সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী তিন বছরের জন্য দলটিতে নেতৃত্ব নির্বাচিত করা হবে।

সাধারণত দলের কাউন্সিলরদের ভোটে এ নেতৃত্ব নির্বাচিত হবার কথা।

আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিপক্ষ বিএনপির সম্মেলনও প্রায় একই প্রক্রিয়ায় সম্মেলনের আয়োজন করে থাকে।

চলতি বছরেই বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে কমিটি গঠনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিলো চেয়ারপারসনের হাতেই।

অর্থাৎ দুটি দলেই দেখা যায় ক্ষমতায় থাকলে সম্মেলনের বর্ণাঢ্য আয়োজন করে এবং শেষ পর্যন্ত সম্মেলনে কাউন্সিলরা নিজ নিজ দলীয় প্রধানের হাতেই দলের নেতৃত্ব নির্বাচনের ভার অর্পণ করে থাকেন।

তাহলে বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে দলগুলোর নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে এ ধরনের সম্মেলনের গুরুত্ব আসলে কতটা?

এমন প্রশ্নের জবাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক শান্তনু মজুমদার বলেন আওয়ামী লীগের সম্মেলনের কয়েক ঘণ্টা আগেও সর্বোচ্চ পদগুলোতে কি হবে তা নিয়ে কোনো আবহ তৈরি হয়নি।

তিনি বলেন, সবাই কিন্তু মোটামুটি বুঝতে পারে যে কি হতে যাচ্ছে। কোনো ব্যতিক্রম না হলে আগের কাউন্সিলের পুনরাবৃত্তিই হবে।

তার মতে রাজনৈতিক দলগুলো সংহতি রক্ষা আর ভোটের বিষয় বিবেচনা করেই পদক্ষেপ নেয়।

এ সম্মেলনের গুরুত্ব কতটা ? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গুরুত্ব নেই কিন্তু দলের জন্য এর গুরুত্ব রয়েছে, যদিও কোনো ফলপ্রসূ আলোচনা হবে না। কারণ সবাই জানে দলগুলোর কাউন্সিলে কি হয়।

সারাদেশ থেকে আসা নেতাকর্মী কাউন্সিলরদের মতামত কতটা প্রতিফলিত হয় সম্মেলনে?

জবাবে মজুমদার বলেন বাস্তবে সেটি হয় না। তবে প্রধানমন্ত্রী চাইলে কিছু ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব।

তাহলে এ ধরনের সম্মেলনেরই বা গুরুত্ব কোথায়?

জবাবে তিনি বলেন, নেতাকর্মীরা এ স্বপ্ন দেখেন না যে এ ধরনের প্রক্রিয়ায় রাজনীতিকে ওপরে উঠবেন তারা। তবে নেতাকর্মীদের একটা আশা আকাঙ্ক্ষা উদ্দীপনা থাকে।

সূত্র : বিবিসি বাংলা

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট