প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ শারদীয় দুর্গোৎসব

প্রকাশিত: ১:৫৭ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১২, ২০১৬

প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার শেষ হলো দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের। দেশের বিভিন্ন স্থানের ন্যায় বিভাগীয় নগরী সিলেটেও নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে দেবীকে বিসর্জন দেওয়া হয়। বিসর্জনের আগ মুহুর্তে দেবীকে শেষ দর্শনের আশায় মণ্ডপগুলোতে ছিল ভক্তদের ভিড়।
বিজয়া দশমীর সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে মঙ্গলবার বিকেল থেকে নগরীর সুরমা নদীর ক্বীনব্রিজের চাঁদনীঘাটে শুরু হয় প্রতিমা বিসর্জন। এর আগে বিকেল থেকে মহানগরীর বিভিন পূজামন্ডপ থেকে ট্রাকে করে ঢাক-ঢোল বাজিয়ে প্রতিমা নিয়ে আসেন ভক্তরা। তাছাড়া শঙ্খ উলুধ্বন্নির পাশাপাশি বাদ্যের ঘণ্টা বাজিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাতে নদী তীরেও ভিড় করেন ভক্ত অনুরাগীরা। পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের নানা শ্রেণি ও বর্ণের মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয়ে ওঠে সুরমা তীর।
হিন্দু পঞ্জিকা মতে, জগতের মঙ্গল কামনায় এ বছর দুর্গা দেবী ঘোটকে (ঘোড়া) করে ধরায় এসেছিলেন। আর ভক্তদের আর্শিবাদ দিয়ে তিনি আবার ঘোটকে চড়েই কৈলাসে স্বামীগৃহে ফিরে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন কমিটি সিলেট জেলা শাখার তথ্য অনুযায়ী, এবার সিলেট বিভাগে প্রায় আড়াই হাজার পূজা মন্ডপে দুর্গোৎসবের আয়োজন করা হয়। যার মধ্যে সিলেট জেলায় ৫৮৪ এবং সিলেট মহানগর এলাকায় ৬৪টি মন্ডপ ছিল।
তিথি অনুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল দেবীপক্ষ। আর ৭ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মাধ্যমে শুরু হওয়া পাঁচ দিনের দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতার শেষ হয় বিজয়া দশমীতে দেবী বিসর্জনের মধ্য দিয়ে।
এদিকে, প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে সুরমার তীরে স্থাপিত মঞ্চে উপস্থিত হয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ প্রমুখ।
অন্যদিকে, বিজয়া দশমীতে দেবী বিসর্জন উপলক্ষে নগর জুড়ে রয়েছে কড়া নিরাপত্তা পোশাকি পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকের পুলিশও মাঠে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (মিডিয়া) রহমত উল্লাহ।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট