খালেদা জিয়ার রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অভিযোগ গঠন ৮ নভেম্বর

প্রকাশিত: ৩:১৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১০, ২০১৬

‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক আছে’- এমন মন্তব‌্যের জন‌্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহের মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে আগামী ৮ নভেম্বর দিন ধার্য করেছে আদালত।

খালেদা জিয়ার আইনজীবীর করা সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. কামরুল ইসলাম মোল্লা এই নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য থাকলেও খালেদার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া সময়ের আবেদন করেন।

তিনি আবেদনে উল্লেখ করেন, তারা শুনানির জন‌্য এখনো প্রস্তুত নন। এর বিরোধিতা করেন মামলার বাদী আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মমতাজ উদ্দিন আহমদ মেহেদী।

শুনানি শেষে বিচারক শুনানির নতুন তারিখ ঠিক করে দিয়ে বলেন, আসামিপক্ষকে আর সময় দেওয়া হবে না।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিশন বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, ‘তিনি তো (বঙ্গবন্ধু) বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি, তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। শহীদ প্রেসিসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ‘আজকে বলা হয়, এতো শহীদ হয়েছে, এটা নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে।’

ওই বক্তব্যে দেশদ্রোহী মনোভাবের পরিচয় রয়েছে অভিযোগ করে গত ২৫ জানুয়ারি ঢাকার হাকিম আদালতে খালেদার বিরুদ্ধে মামলা করেন মমতাজ উদ্দিন আহমদ মেহেদী। ওই মামলা করার আগে তিনি নিয়ম অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতিও নেন।

ঢাকার মহানগর হাকিম রাশেদ তালুকদার গত ২৫ জানুয়ারি ওই মামলা আমলে নিয়ে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদাকে ৩ মার্চ আদালতে হাজির হয়ে অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।

হাকিম আদালতে এ মামলায় জামিন পাওয়া খালেদা গত ১০ অগাস্ট জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন।

পুলিশের দেওয়া অভযোগপত্র আমলে নিয়ে বিচারক কামরুল হোসেন মোল্লাই সেদিন অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ১০ অক্টোবর দিন ঠিক করে দিয়েছিলেন।

  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট