ঘাসিটুলায় মসজিদের নামে জমি দখলের অভিযোগ

প্রকাশিত: ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৪, ২০১৬

সিলেট নগরীর ঘাসিটুলায় মসজিদ ও ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে একটি ভূমিখেকো চক্র এক ব্যক্তির মৌরসী জমি আত্মসাতের পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। সোমবার দুপুরে ঘাসিটুলার সবুজ সেনা এ ব্লকের ৮০ নম্বর বাসার বাসিন্দা মো. জাকারিয়া জাকু সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, জাকুর প্রতিপক্ষ আবদুল করিম, জিলাল, আবদুল মতিন, দিলাল, ইরান ও শাহজাহান গং একটি ভূমিখেকো চক্র। ঘাসিটুলা বড় মসজিদকে ব্যবহার করে তারা জাকুর মৌরসী জমি আত্মসাতের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। এই চক্র ইতোমধ্যে ভাড়ায় লোক এনে জাকুর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করিয়েছে। এ মানববন্ধনে অহেতুক অপপ্রচার করা হয়। যা এলাকায় বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে জাকু দাবি করেন, প্রকৃতপক্ষে তার দাদা আবদুল গণি বড় মসজিদকে ১১৫৭৭/৫৭ নম্বর দলিলে ১১ শতক ২৪ পয়েন্ট জমি ওয়াকফ করে দিয়েছিলেন। বর্তমানে এ জমি পুঁজি করে এই চক্রটি ওখানকার পুরো মৌরসী জমি গ্রাসের পাঁয়তারা করছে। মসজিদের নামে রাস্তা বন্ধ করে দিতে পারলে এ চক্র কোটি কোটি টাকা পাবে। রাস্তা নেই দেখিয়ে এ চক্র ভেতরের শত একর জমি নামমাত্র টাকায় কিনতে পারবে। আর এ কারণেই তারা মসজিদকে ব্যবহার করে আন্দোলনে নেমেছে।
জাকু সংবাদ সম্মেলনে আরও জানান, এ জমি নিয়ে আদালতে একটি স্বত্ব বাটোয়ারা মামলা বিচারাধীন। কিন্তু তারপরও এই চক্র জমি দখলের হুমকি দিলে তারা পুলিশকে অবগত করেন। পুলিশ বিষয়টি দেখার জন্য স্থানীয় কাউন্সিলর সালেহ আহমদকে দায়িত্ব দেন। পরে এ নিয়ে একটি সালিশ বৈঠক হয়। কিন্তু বৈঠকে জমির কোনো কাগজ দেখাতে পারেনি ওই চক্র। পরে সালিশ বোর্ড জমির মালিকানার রায় জাকু গংদের পক্ষে দেন। এ রায়ের কপি সিলেট কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এক পর্যায়ে ওই চক্রটি বিচার থেকে সরে আসে এবং জাকু গংদের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালায়।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট