সিলেটে বিপিএলে চরম অব্যবস্থাপনা!

প্রকাশিত: ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৬

আবদুর রশিদ রেনু : বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে (বিপিএল) খেলতে আসা দলগুলো চরম অব্যবস্থাপনার শিকার। স্থানীয় আয়োজক জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (ডিএফএ) সহযোগিতা পাচ্ছে না তারা। ফলে নানা বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে তাদের। চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহে তারা পরিবহন, লিয়াজোঁ কর্মকর্তা পেয়েছে। সেখানকার স্থানীয় আয়োজকদের সহযোগিতায় মুগ্ধ ক্লাব কর্মকর্তারা। সিলেটেও এমনটি আশা করছিলেন তারা। বিরক্ত একাধিক ক্লাব কর্মকর্তা বলেন, বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের আহ্বানে সারা দেশে ফুটবল ছড়িয়ে দিতে ক্লাব কর্মকর্তারা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। ঢাকার বাইরের আয়োজকদেরও কিছুটা দায় রয়েছে। সিলেটের সার্বিক আয়োজনে এমন কোনো দায় আছে বলে তারা মনে করছেন না। অনুশীলন মাঠ প্রস্তুত নয়, এ অভিযোগ প্রায় সব দলের। দলগুলোর জন্য পরিবহন ব্যবস্থা করা হয়নি। দেয়া হয়নি লিয়াজোঁ কর্মকর্তা। দলগুলো নিজ দায়িত্বে এসব করায় ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে অনুশীলনে। স্থানীয় রাস্তাঘাট জানা না থাকায় নির্ধারিত সময়ে প্রথমদিন অনুশীলন মাঠে যেতে পারেনি একাধিক দল। ফলে তাদের এক ঘণ্টার অনুশীলন ৩০-৩৫ মিনিটে শেষে করতে হয়।

ফেনী সকারের ম্যানেজার সাখাওয়াত হোসেন ভূঞা শাহীন বলেন, ‘সিলেটে লীগ আয়োজনের চিত্র হতাশাজনক। সিলেটের চেয়ে অনেক ভালো ব্যবস্থাপনা ছিল চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহে।’ টিম বিজেএমসির ম্যানেজার আরিফুল হক চৌধুরী লিয়ন বলেন, ‘সিলেটে এমন দায়সারা আয়োজন হবে তা কেউ ভাবেনি।’ সিলেটে চরম অব্যবস্থাপনায় বাফুফের কর্মকর্তারাও ক্ষুব্ধ বলে তিনি জানান। অনুশীলন মাঠ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রহমতগঞ্জের ম্যানেজার ইমতিয়াজ হাবিব সবুজ ও চট্টগ্রাম আবাহনীর ম্যানেজার শাকিল মাহমুদ চৌধুরী। তবে এসব অভিযোগ মানতে নারাজ বাফুফের নির্বাহী সদস্য ও সিলেট ডিএফএ’র সভাপতি মাহিউদ্দিন আহমদ সেলিম।

বৃষ্টি হওয়ায় অনুশীলন মাঠ কিছুটা খারাপ বলে স্বীকার করেন তিনি। দলগুলোকে পরিবহন ও লিয়াজোঁ কর্মকর্তা না দেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাফুফে তাকে এসব না দেয়ার জন্য বলেছে। বাফুফে প্রত্যেক দলকে প্রয়োজনীয় টাকা দিয়েছে। এর বাইরে তার কিছু করার নেই বলে তিনি জানান।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট