সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ

প্রকাশিত: ১০:৫১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৬

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট জেলা বিএনপি সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম বলেছেন- অবৈধ সরকার শহীদ জিয়াকে ভয় পায়। তাই রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে জাতীয় যাদুঘর থেকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা সম্মাননা পদক অপসারন করেছে। সরকারের এমন ঘৃন্য কর্মকান্ড জাতি ঘৃনাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। কোন ষড়যন্ত্রই স্বাধীনতার ঘোষনা থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ জিয়ার গুরুত্বপুর্ন অবদান মুছে ফেলতে পারবেনা। যতদিন স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন বাংলাদেশের প্রতিটি দেশপ্রেমিক জনতার হৃদয়ে শহীদ জিয়া চির অ¤øান হয়ে থাকবেন। জনতার হৃদয় থেকে জনতার জিয়াকে মুছে ফেলার সাধ্য কারো নেই।
শনিবার বিকেলে বিএনপি কেন্দ্র ঘোষিত দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসুচীর অংশ হিসেবে জাতীয় যাদুঘর থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পদকের অপসারনের প্রতিবাদে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। নগরীর ঐতিহাসিক রেজিষ্টারী মাঠে সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারন সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন-বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি আলহাজ্ব শফী আহমদ চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আলী আহমদ।
সাবেক এমপি আলহাজ্ব শফী আহমদ চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে বলেন- কোন সুস্থ বিবেকবান সরকার কর্তৃক মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পদক অপসারন সম্ভব নয়। অবৈধ সরকারের কাছে সবই সম্ভব। এই সরকার শহীদ জিয়াকে নিয়ে যত প্রতিহিংসা আর নোংরামী করবে, শহীদ জিয়ার প্রতি জনতার শ্রদ্ধা ও ভালবাসা আরো বৃদ্ধি পাবে। সরকারের যদি নুন্যতম মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থাকে তাহলে অবিলম্বে শহীদ জিয়ার পদ যথাস্থানে সসম্মানে প্রতিস্থাপন করবে। অন্যথায় দেশপ্রেমিক জনতার আন্দোলনেই সরকারের পতন ঘটিয়ে স্বাধীনতা পদক জাতীয় যাদুঘরে পুনরায় প্রতিস্থাপন করা হবে। ইনশাআল্লাহ।
সিলেট মহানগর বিএনপি সভাপতি নাসিম হোসাইন বলেন- শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শুধু স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়ে ক্ষান্ত হননি। হাতে অস্ত্র তুলে কৃতিত্বের সাথে মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেলেন। যা দেশের হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা ও কোটি কোটি দেশপ্রেমিক জনতা ভাল করে জানেন। জীবনবাজী নিয়ে যুদ্ধ করে বিজয় ছিনিয়ে আনা একজন সম্মানিত মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডারের স্বাধীনতা পদক অপসারন আওয়ামী প্রতিহিংসার রাজনীতির নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। প্রতিহিংসার এই রাজনীতির জন্য আওয়ামী বাকশালীদের চরম মুল্য দিতে হবে।
মহানগর বিএনপি নেতা ডা. আশরাফ আলীর পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সুচীত বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, মহানগর সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হুমায়ুন কবির শাহীন, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা দলের আহŸায়ক সালেহ আহমদ খসরু, বিএনপি নেতা এডভোকেট ফয়জুর রহমান জাহেদ, এডভোকেট আতিকুর রহমান সাবু, একেএম তারেক কালাম, আব্দুস সাত্তার, সৈয়দ রেজাউল করিম আলো, আব্দুর রহিম, আজির উদ্দীন চেয়ারম্যান, আব্দুল জব্বার তুতু, মশিকুর রহমান মহি, লল্লিক আহমদ চৌধুরী, আবুল কাশেম, শামীম আহমদ, এডভোকেট মুজিবুর রহমান মুজিব, মুকুল মোর্শেদ, সুরমান আলী, ইউনুছ মিয়া, কাউন্সিলার কুহিনুর ইয়াসমিন ঝর্না, আব্দুল মান্নান পুতুল, আব্দুল লতিফ খান, আতাউর রহমান কাচা, আল মামুন খান, বজলুর রহমান ফয়েজ, সিরাজুল ইসলাম, হাজী আসাদ উদ্দীন, মালিক চৌধুরী, লুৎফুর রহমান, ফাত্তাহ বকসী, মনিরুল ইসলাম তুরন, নুরুল ইসলাম বা””ু, ফয়সল আহমদ টিপু, জাকির হোসেন, মোতাহির আলী, সিরাজ খান, আবুল কালাম, এডভোকেট আল আসলাম মুমিন, ফখরুল ইসলাম চৌধুরী, বোরহান উদ্দীন, মাসুম আলম, এডভোকেট ফখরুল হক, এডভোকেট ইসরাফিল আলী, শফিকুর রহমান টুটুল, আক্তার আহমদ, দেলোয়ার হোসেন মানিক, শাহজাহান সেলিম বুলবুল, লায়েছ আহমদ, বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্য থেকে উপস্থিত ছিলেন- লোকমান আহমদ, কাজী মেরাজ, মুরাদ হোসেন, দেওয়ান আরাফাত চৌধুরী জাকির, বেলাল আহমদ, সরফরাজ খান, হাবিব আহমদ চৌধুরী শিলু, শেখ ইলিয়াস আলী, উজ্জল রঞ্জন চন্দ, মনিরুজ্জামান উজ্জল, মাহফুজুর রহমান জুবের, আরিফুল ইসলাম আরিফ, আব্দুল মালেক, আব্দুর রহিম, মঈনুল ইসলাম মঞ্জু, মকসুদুল করিম নোহেল, ইসলাম উদ্দীন, শামসুর রহমান শামীম, আব্দুল মান্নান, মো: জমির উদ্দীন, মো: আরব আলী, নজির হোসেন, আব্দুল মুকিত, আজাদ মিয়া, জাকির হোসেন মজুমদার, আব্দুল মুক্তাদির খান, মোশতাক আহমদ, আকবর আলী, হানুর ইসলাম ইমন, লিটন আহমদ, এমএ মালেক, সালাহ উদ্দীন, জাকির হোসেন, নাসিরুদ্দীন রহিম, শামসুল ইসলাম টিটু, সাজন আহমদ, আবির হাসান মুহিন, ইমাদ উদ্দীন চৌধুরী, দেলোয়ার হোসেন, দেলোয়ার হোসেন, মাসুম পারভেজ, মাহবুব আহমদ চৌধুরী, সোহেল ইবনে রাজা, আহমদ ফেরদৌস শাকের, আবু সাঈদ হিরন, খন্দকার মনিরুজ্জামান মনির, জহিরুল ইসলাম রাহেল, দিলদার হোসেন শামীম, আব্দুল আজিজ মুন্না, আলী আকবর রাজন, মিজানুর রহমান মিজান, মকসুদুল করিম, আব্দুল হামিদ চৌধুরী, সোহেল আহমদ, জাহেদ আহমদ, জিল্লুর রহমান জিলু, তৌফিক উজায়েদ সোহেল, রুম্মান আহমদ রাজু, জাহাঙ্গীর আলম, সৈয়দ সাইফুর রহমান, শামসুদ্দিন শুভ, মনসুর খান, শাহান আল মাহমুদ, রুবেল আহমদ, জাহেদুর রহমান, আল-আমীন স্বপন, মামুনুর রশীদ মামুন ও নাজমুল হোসেন প্রমুখ।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট