বিয়ানীবাজারে পৃথক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ॥ মানুষ হত্যা করে বেহেস্তে যাওয়া যাবে না

প্রকাশিত: ১:৩১ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৬, ২০১৬

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি বলেছেন, দেশের সাম্প্রতিক জঙ্গি উত্থানে দেশী-বিদেশী চক্রের হাত রয়েছে। তারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে  চায়। আগুন সন্ত্রাসের মতো জঙ্গিবাদ সৃষ্টির মাধ্যমে দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। যারাই এসব কুকর্মে লিপ্ত রয়েছে তাদের জানা উচিত মানুষ মেরে বেহেস্তে যাওয়া যায় না। ইসলাম ধর্ম শান্তির ধর্ম উল্ল্যেখ করে বলেন, কোন ধর্মই মানুষ হত্যাকে সমর্থন করে না। দেশের আপামর মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করে এদেশকে স্বাধীন করেছেন। ত্রিশ লাখ শহিদের পবিত্র রক্তের বিনিময়ে অর্জিত মানচিত্রের সম্মান রক্ষা করতে এদেশের মানুষ জঙ্গি-সন্ত্রাস ও নাশকতাকে উৎখাত করবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিয়ানীবাজার প্রশাসন আয়োজিত বিয়ানীবাজার উপজেলার সকল শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, ইমাম, সুশীলসমাজ সহ সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণে জঙ্গি-সন্ত্রান ও নাশকতা প্রতিরোধ সংক্রান্ত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথাগুলো বলেন।
এর আগে শিক্ষামন্ত্রী একটি বাড়ি একটি খামার ও পল্লী উন্নয়ন সঞ্চয় ব্যাংকের নবনির্মিত ভবন ও ভূমিহীন মুক্তিযোদ্ধাদের চারটি নব নির্মিত ভবনের উদ্বোধন, শিক্ষার্থীদের অনুদান, বয়স্ক ভাতা ও প্রতিবন্ধিদের মধ্যে আইডি কার্ড বিতরণ, পিএইচজি স্কুল মাঠে আয়োজিত ফলদ ও বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন এবং বৈরাগী বাজার আইডিয়াল কলেজের একাডেমিক ভবনের  ভিত্তির প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।
বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, শিক্ষক-অভিভাবক সকলের উচিত আগামী প্রজন্মের দিকে লক্ষ্য রাখা। যারা আগামীর বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে তাদেরকে যতœ সহকারে আমাদেরকে তৈরী করতে হবে। এক্ষেত্রে কোন গাফলতি করা চলবে না। মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার দোরগোড়ায় থাকা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশকে ভিখারির দেশে পরিণত করতে একটি বিশেষ মহল যড়যন্ত্র করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, রমজান মাসে গুলশানে হামলা চালিয়ে দেশী-বিদেশী ২০জনকে হত্যা করলো, ঈদের দিন শোলাকিয়ায় হামলা করে পুলিশ হত্যা করলো-  যারাই এসব কুকর্ম করেছে, এসব ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে তারা ইসলামের শত্র“ এদেশের আপামর মানুষের শত্র“।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মু: আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুম মিয়ার পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন  উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান খান, বিজিবি ৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক কর্ণেল মো. নেয়ামুল কবির, বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ দ্বারকেশ চন্দ্র নাথ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা শিব্বির আহমদ ও রোকসানা লিমা, উপজেলা কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি শিক্ষাবিদ আলী আহমদ, সহ সভাপতি আব্দুল আহাদ কলা, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বাবুল ও জাকির হোসেন, শিক্ষামন্ত্রীর এপিএস দেওয়ান মাকসুদুল ইসলাম আউয়াল, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য এডভোকেট মোহাম্মাদ আব্বাছ উদ্দিন, শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্বাহী পরিচালক নজরুর হাকিম প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট