সর্দিকাশি থেকে বাঁচার টিপস

প্রকাশিত: ১:০০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১১, ২০১৬

প্রিয়াঙ্কার রাত থেকে সর্দি হয়েছে৷ একদিকে কিচ্ছু ভালো লাগেছে না৷ সারাদিন মাথা ঝিমঝিম অথচ কেউ পাত্তাও দিচ্ছে না এই রোগটাকে। ঋতু পরিবর্তনের সময় সবারই এই এক সমস্যা হয়৷

একটু সচেতন হলে ঘরে বসেই সহজে চিকিৎসা করতে পারেন এই সমস্যার।

১. সর্দিতে মশলা চায়ের থেকে হলুদ দিয়ে দুধ পান করা অনেক বেশি উপকারী৷ হলুদ দিয়ে দুধ পান করলে শুধু সর্দিকাশি কমে তা নয়, এই দুধ খুবই স্বাস্থ্যকর৷

২. গরগরা থেরাপি সেই দাদা-দাদির আমল থেকেই চলে আসছে৷ হালকা গরম পানিতে লবণ দিয়ে গরগরা করলে অনেক উপকার হয়৷ এই অভ্যাস নিয়ম করে দিনে দু’বার করুন৷ লবণের সঙ্গে সামান্য হলুদ দিয়েও করতে পারেন৷

৩. লেবু, দারচিনি এবং মধু দিয়ে বাড়িতেই বানাতে পারেন সিরাপ৷ কড়াইয়ে অল্প আঁচে মধু গলিয়ে তার মধ্যে অল্প দারচিনি এবং লেবুর রস মেশালেই তৈরি হয়ে যাবে এই সিরাপ যা সর্দিকাশি কমাতে সাহায্য করে৷

৪. গরম চা পান করার অভ্যাস ভালো৷ গরম পানি পান করলে উপকার পাবেন।

৫. গাজরের জুসও পান করে দেখতে পারেন৷ একটু আউট অফ দ্য ট্র্যাক হলেও সর্দি নিরাময়ের ক্ষেত্রে খুবই উপকারী এটি৷

৬. চুইং গাম না চিবিয়ে মুখে সামান্য আদাকুচি রাখলে উপকার মিলবে৷ মুখের রুচি ফেরাতেও সাহায্য করে আদা৷

৭. পানিতে তুলসিপাতা এবং জোয়ান একসঙ্গে ফুটিয়ে সেই পানি পান করুন৷ উপকার হবে৷

৮. সর্দিকাশির অব্যর্থ ওষুধ হল স্টিম৷ পানি গরম করে তার স্টিম কনজিউম করুন৷ এই পদ্ধতি ভীষণভাবে কাজ করে৷

৯. নিজের প্রতিদিনের চায়ে আদা, তুলসি ও গোলমরিচ মিশিয়ে পান করুন৷ কাশি কমবে৷

১০. গরম পানিতে অল্প ঘি এবং অল্প লবণ মিশিয়ে সেটা পান করলেও অনেকটা আরাম পাবেন৷

১১. গোসলের পানিতে সামান্য ইউক্যালিপটাস অয়েল মিশিয়ে নিন৷ গায়ের ব্যথা কমবে অনেকটা৷

১২. সামান্য গরম ঘি-এ রসুন কুচি মিশিয়ে খেলেও সর্দিকাশি কমে৷

১৩. নিয়মিত আমলকি খান৷ আমলকি সর্দিও নিরাময় করবে আবার রক্তকেও পরিশুদ্ধ করে৷

  •