গ্যাসের দাম ১৪০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব, গণশুনানি চলছে

প্রকাশিত: ৪:১৩ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৭, ২০১৬

আবারো গ্যাসের দাম বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য রবিবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়েছে গণশুনানি প্রক্রিয়া। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) এ গণশুনানি হচ্ছে। চলবে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত।

জানা গেছে, গ্যাসের দাম বৃদ্ধির গণশুনানিতে গ্রাহকভেদে ১০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে কোম্পানিগুলো।

বর্তমানে এক চুলার মাসিক বিল ৬০০ টাকা এবং দুই চুলা ৬৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে যথাক্রমে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং ১ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করেছে কোম্পানিগুলো।

এর আগে গত বছর আগস্টে গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের দাম গড়ে ২৬ দশমিক ২৯ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল, যা গত সেপ্টেম্বর কার্যকর হয়। এদিকে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির চেষ্টার প্রতিবাদে বিইআরসির সামনে বিক্ষোভ করছে গণসংহতি আন্দোলন।

সূত্র জানায়, গ্যাসের দাম বৃদ্ধির গণশুনানিতে আজ প্রথম দিনে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানির সঞ্চালন মাশুল বাড়ানোর প্রস্তাবের বিষয়ে শুনানি হচ্ছে। সরকারি এই কোম্পানিটি প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের সঞ্চালন বাবদ বর্তমান কমিশন দশমিক ১৫৬৫ থেকে বৃদ্ধি করে দশমিক ৪২১৩ করার প্রস্তাব দিয়েছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ২ টাকা ৮২ পয়সা থেকে ৪ টাকা ৬০ পয়সা এবং শিল্পে বয়লারে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ৬ টাকা ৭৪ পয়সা থেকে ১০ টাকা ৪৫ পয়সা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।

সিএনজির দাম প্রতি ঘনমিটার ৩৫ থেকে বাড়িয়ে ৫৮ টাকা, গৃহস্থালিতে মিটারভিত্তিক গ্যাসের দাম ৭ টাকা থেকে ১৬ টাকা ৮০ পয়সা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

৮ আগস্ট তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড, ১০ আগস্ট পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, ১১ আগস্ট বাখরাবাদ গাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, ১৪ আগস্ট কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, ১৬ আগস্ট জালালাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ও ১৭ আগস্ট সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানির গ্রাহক পর্যায়ে দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের ওপর শুনানি হবে।

  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট