হরতালে সংঘর্ষের মামলার রায়ে বিএনপির ৬৫ নেতাকর্মী খালাস

প্রকাশিত: ৫:১৮ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ৫, ২০১৬

বিএনপির ‘নিখোঁজ’ নেতা এম ইলিয়াস আলীর সন্ধান দাবিতে সিলেটে টানা হরতাল চলাকালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনে দায়ের করা মামলার রায়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ৬৫ নেতা-কর্মীকে খালাস  দিয়েছেন আদালত। সিলেটের চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুজ্জামান হিরো গতকাল বৃহস্পতিবার এ রায় প্রদান করেন।
খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন-সিলেট সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ৬নং টুকেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শহীদ আহমদ (৪৮), সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক)মোঃ আবুল কালাম তারেক (৪৫), সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুর রহমান (৫০), শাহ আলম (২১), শাহীন (২৮), আলী আহমদ (২০), আবুল হাসনাত (৩৫), জয়নাল আবেদীন (২৮), ওয়ারিছ আলী (৪৮), সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সমপাদক আলতাফ হোসেন সুমন (২৬), হেলাল (৩০), মোক্তার (২৫), তুহিন (২৫), সাহাব উদ্দিন (৪০), শাহ খুরুম ডিগ্রী কলেজের  ছাত্রদল সভাপতি হেলাল আহমদ মাসুম (২২), পনি (২৮), ফারুক মিয়া (২৭), আল আমীন (২৫), রুমান (১৯), জাহাঙ্গীর (২৭), রুবেল-১ (২৬), জুয়েল (১৯), যুবদল সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সমপাদক ও সাবেক মেম্বার আবদুল খালিক (৩৫), আশিক (২৪), তুলা মিয়া (৪০), রুবেল আহমদ (২০), কামাল  হোসেন সুরুজ (৩৪), মাসুক আহমদ (৪৫), সজিব আহমদ (২০), সিসিকের ৮ নম্বর ওয়ার্ড সেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক রাসেল আহমদ (২২), শামীম আল-মাসুম (৩৫), শাহ জাহান মিয়া (২৫), সুমন ওরফে নিশা (২০), রুবেল বক্্র (২৫), আলী আমজাদ (২৮), কালা মিয়া (২৯), রকিব (২২), আশিক (২২) আলাই মিয়া (৩৫), চাদ মিয়া (৩৮), শামীম (২৫), আবু তালিব (২৫), বাহার মিয়া (২০), রাসেল (২৩),  কাশেম (২১), ফারুক (৪২), খালেদ (২২), রুবেল-২ (২০), মুরাদ ওরফে লিভার মাুরাদ (৩০), জিতু হাসান (২৫), কোরআন (২৭), সেলিম মিয়া (৩৫), খালেদ আহমদ রনি (২৭), দেলোয়ার (২৫), ফয়ছল (২২), তাজুল (২৫), বাবুল (৩০), হাবিব (২৬), জাকারিয়া (৩০),  জুয়েল (৩২), রফিক (৪১), দেলোয়ার-২ (২৮), শাহীন ওরফে কালা শাহীন (২৬), মাসুক (৪৫) ও কবীর মিয়া (২৪)।
আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল এম ইলিয়াস আলী ঢাকার বনানী থেকে গাড়িচালক আনসার আলীসহ ‘নিখোঁজ’ হন। তাঁর সন্ধান দাবিতে সিলেট ও বিশ্বনাথে টানা সাতদিন হরতাল পালন হয়। টানা হরতালের পঞ্চম দিন সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে টুকেরবাজারের নিকট বিক্ষোভ করেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল লতিফ বাদী  ৫১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ২০০/২৫০ জনকে আসামী করে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে একই বছরের ২ মে জালালাবাদ থানার এসআই সঞ্জিত দাস ৬৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করেন। এবং একই বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে এ মামলার বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ শুনানী শেষে আদালত উক্ত আসামীদের দোষ প্রমাণীত না হওয়ায় তাদেরকে এ মামলা থেকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে এপিপি এডভোকেট রাশিদা সাহীদা খানম এবং আসামিদের পক্ষে এডভোকেট মোঃ আবু সিদ্দিক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি আশিক উদ্দিন আশিক মামলাটি পরিচালনা করেন।

  •  

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট