রাজপথে দুর্বার আন্দোলনেই মেয়র আরিফ ও গৌছকে মুক্ত করা হবে : ডাঃ জীবন

প্রকাশিত: ১:১৩ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২৯, ২০১৬

সিলেট মহানগর বিএনপির বিশাল প্রতিবাদ সভা


২৯ জুলাই ২০১৬, শুক্রবার : বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ সাখাওয়াত হাসান জীবন বলেছেন ক্ষমতাসীন অবৈধ সরকারের চল-ছাতুরি ও মিথ্যাচারের নিন্দা জানানোর ভাষা কোন বিবেকবান মানুষের থাকতে পারেনা। ভোটার বিহীন চক্রান্তের নির্বাচনের মাধ্যমে অবৈধ পথে ক্ষমতায় এসে তারা জাতির সাথে প্রতারনা করেছে। একদিকে নিয়ম রক্ষার নির্বাচন বলে, স্বল্প সময়ের মধ্যে সকল দলের অংশগ্রহনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় গিয়ে তারা অবৈধ পথে ক্ষমতার মেয়াদ দীর্ঘায়িত করার সুগভীর ষড়যন্ত্র করছে। অন্যদিকে জনগনের বিপুল ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে বরখাস্থ করে তাদের ফ্যাসিবাদী রুপ জাতির কাছে উন্মোচিত করেছে। সিলেটে সিটি কর্পোরশেনের জননন্দিত বিপুল ভোটে নির্বাচিত জনপ্রিয় মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও হবিগঞ্জ পৌরসভার বার বার নির্বাচিত মেয়র জিকে গৌছ আওয়ামী সরকারের প্রতিহিংসামুলক অপরাজনীতির শিকার। অবৈধ সরকার গুম করে সিলেটের কোটি জনতার হৃদয়ের স্পন্দন জননেতা এম ইলিয়াস আলী, ছাত্রনেতা ইফতেখার আহমদ দিনার, জুনেদ সহ সিলেট বিএনপিকে নেতৃত্বশুন্য করার ষড়যন্ত্র করছে। আর আরিফুল হক চৌধুরী ও জিকে গৌছকে একের পর এক মিথ্যা মামলা জড়িয়ে কারাগারে আটকে রাখার মাধ্যমে সেই ষড়যন্ত্র আরো ভয়ংকর রুপে জাতির নিকট প্রকাশ করেছে। অবৈধ ফ্যাসীবাদি সরকারের কাছে ন্যায় বিচার আশা করার ভুল। তাই রাজপথের দুর্বার আন্দোলনেই জননন্দিত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, জিকে গৌছকে মুক্ত করতে হবে।
তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার সিলেট মহানগর বিএনপির উদ্যোগে “কারান্তরীন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের জননন্দিত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও হবিগঞ্জ পৌরসভার জননন্দিত মেয়র জিকে গৌছকে একের পর এক ষড়ডন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলায় জড়ানোর প্রতিবাদে ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে অনুষ্ঠিত বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। সিলেট মহানগর বিএনপি সভাপতি নাসিম হোসাইন-এর সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দীকির পরিচালনায় নগরীর দরগা গেইটস্থ কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের শহীদ সুলেমান হলে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় জেলা ও মহানগর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবাদ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির সিলেট বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক এমপি দিলদার হোসেন সেলিম, সিলেট বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক এমপি কলিম আহমদ মিলন, বিএমএ-এর কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা. শামীমুর রহমান শামীম, সিলেট জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আলী আহমদ।
ডাঃ সাখাওয়াত হাসান জীবন আরো বলেন সিলেটের রয়েছে অধিকার আদায় ও অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে স্বোচ্ছার হওয়ার গৌরবোজ্জল ইতিহাস। সময়ের অপরিহার্য দাবীরে প্রেক্ষিতে সেই ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় বাকশাল, অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে ও গনতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবীতে সিলেটবাসীকে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আর এ আন্দোলন গোটা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে অবৈধ সরকারের পতনকে ত্বরান্বিত করতে হবে।
636সভাপতির বক্তব্যে সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন বলেন- মাত্র ৫ শতাংশ ভোটারের ভোটে নির্বাচিত অবৈধ সরকার কর্তৃ বিপুল ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ভয় পাওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। জনতার রায়কে ভয় পায় বলেই এদেরকে ফ্যাসিষ্ট সরকার বলা হয়। ফ্যাসিষ্ট সরকার ক্ষমতায় থাকলে জনগনের অধিকতার ক্ষুন্ন হয়। দেশে বিচারের নামে চলে অবিচার। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জিকে গৌছের প্রতি চরম অবিচার চলছে । একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কারাগারে আটকে রাখার প্রতিহিংসার রাজনীতি বাকশালীদেরই মানায়। অবৈধ ফ্যাসিষ্ট সরকারের কাছে মুক্তি চেয়ে কোন লাভ নেই । গোটা সিলেট জুড়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার মাধ্যমেই জনপ্রিয় দুই জনপ্রতিনিধিদের মুক্ত করতে হবে। আর এই আন্দোলন অবৈধ সরকারের পতনের পথকে আরো প্রশ্বস্ত করবে।
সিলেট মহানগর ওলামা দলের সাধারন সম্পাদক মাওলানা মাসুদ আহমদের কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সুচীত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন- সিলেট মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সাবেক সদস্য এডভোকেট হাবীবুর রহমান হাবীব, আহাদুস সামাদ, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সাবেক সদস্য এমদাদ হোসেন চৌধুরী, সৈয়দ মঈনুদ্দিন সোহেল, এডভোকেট ফয়জুর রহমান জাহেদ, সিলেট মহানগগর মুক্তিযোদ্ধা দলের আহবায়ক সালেহ আহমদ খসরু, সিলেট জেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুন, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাদির আহমদ, মহানগর বিএনপি নেতা মুফতী বদরুনু নুর সায়েক, সৈয়দ রেজাউল করিম আলো, আব্দুল জব্বার তুতু, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি ভিপি মাহবুবুল হক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলে সহ-সাধারন সম্পাদক আহমদ চৌধুরী ফয়েজ, মহানগর কৃষক দলের সাধারন সম্পাদক আব্দুল মান্নান পুতুল, মহানগর শ্রমিক দলের সাধারন সম্পাদক ইউনুছ মিয়া, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সদস্য আব্দুর রকিব, কাউন্সিলার কুহিনুর ইয়াসমিন ঝর্না প্রমুখ।
635প্রতিবাদ সভায় অন্যানেরে মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি নেতা হাজী মো: আশরাফ আলী, হুমায়ুন আহমদ মাসুক, আফজাল উদ্দীন, ইলিয়াস মেম্বার, আব্দুস সাত্তার মামুন, দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী, ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দের মধ্য থেকে- সরফরাজ আহমদ চৌধুরী, হাজী ইসরাইল মিয়া, মামুনুর রহমান মামুন, লল্লিক আহমদ চৌধুরী, সাইদুর রহমান বুদুরি, হাবীবুর রহমান শিলু, মোশতাক আহমদ, আলহাজ্ব শোয়েব আহমদ, সৈয়দ বাবুল, মোতাহার আলী মাখন, আলাউর রহমান লয়লু, সোহেল বাছিত, আব্দুস শুকুর, কামাল হাসান জুয়েল, আলাউদ্দিন আলাই, আব্দুল মালেক, আল মামুন খান, প্রফেসর মঈনুদ্দিন, আমিনুর রহমান খোকন, আব্দুস সালাম, আব্দুস সামাদ তোহেল, শেখ মু. ইলিয়াস, মুরাদ আহমদ খান, সিরাজ খান, সোনাহর আলী সুহেল, শামসুল ইসলাম টিটু, দিলোয়ার হোসেন রানা, নজির হোসেন, নুরুল ইসলাম লিমন, শরিফ উদ্দীন মেহেদী, আব্দুল্লাহ শফী শাহেদ, নাঈমুল ইসলাম, শফিকুর রহমান টুটুল, আবু সুফিয়ান, আবু সাঈদ তায়েফ, সৈয়দ ফয়েজ আহমদ শিপু, উজ্জল রঞ্জন চন্দ, রেজাউল হক, কয়েস আহমদ সাগর, আব্দুস সোবহান, ওয়াহিদুস সামাদ পাপ্পু, মঞ্জুর হোসেন মজনু, শফিক নুর, মঈনুল হক স্বাধীন, সুমন চক্রবর্তী, আব্দুস শুকুর, জুম্মন আহমদ, রেজুয়ান আহমদ, সাব্বির আহমদ, ছাত্রদল নেতাদের মধ্যে থেকে শফিকুর রহমান , আব্দুল মজিদ, কামরুজ্জামান দীপু, আব্দুর রউফ, রজব আহমদ, আহমেদ জিল্লু, আবুল হাসিম জাকারিয়া, কামরান আহমদ হেলাল, খালেদ আহমদ মিলু, রুনু আহমদ, শাহীন আহমদ, হাজী দিনার ও আশরাফ উদ্দীন রুবেল প্রমুখ।

  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট