সন্ত্রাস ও উগ্রবাদী হামলা নির্মুলে দল-মতের উর্ধ্বে উঠে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই : সিলেট নগর জামায়াত

প্রকাশিত: ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২৭, ২০১৬

সিলেট মহানগর জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ

সিলেট মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেছেন- ইসলাম হচ্ছে শান্তির ধর্ম। বিশ্ব্যাপী শান্তিপুর্ন ইসলামী আন্দোলনকে কলংকিত করতে সন্ত্রাস ও উগ্রবাদের সৃষ্টি করা হয়েছে। এর সাথে ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের কোন সম্পর্ক নেই। সরকার দেশে সংগঠিত নৃশংস সন্ত্রাসী কর্মকান্ডকে প্রতিপক্ষ দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত না করেই সরকারের কতিপয় কর্তাব্যাক্তিরা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে জড়িয়ে বক্তব্য দেয়ায় মুল পরিকল্পনাকারীরা আড়ালের সংস্কৃতি থেকে সরকারকে বেরিয়ে আসতে হবে। সন্ত্রাসী ও উগ্রবাদী হামলা দমন করতে দল-মতের উর্ধ্বে উঠে সকল দলের অংশ গ্রহনে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা সময়ের অপরিহার্য দাবী। বাংলার সবুজ ভু-খন্ডে ইনসাফভিত্তিক সমাজ বিনির্মানের প্রত্যয়দীপ্ত কাফেলা গনমানুষের প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সন্ত্রাস ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে যাচ্ছে। সাম্প্রতিককালে সন্ত্রাস ও উগ্রবাদী হামলায় হতাহতের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী উদ্বিগ্ন। এইসব সন্ত্রাসীদের নির্মুল করতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সন্ত্রাস দমনের নামে আদর্শিক প্রতিপক্ষের নিরীহ মেধাবী ছাত্রদের ক্রসফায়ার নামক নাটকীয় হত্যার ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে।
মঙ্গলবার জামায়াত কেন্দ্র ঘোষিত দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসুচীর অংশ হিসেবে দেশকে অস্থিতিশীল করার লক্ষে সন্ত্রাস সৃষ্ঠি ও জঙ্গি হামলার প্রতিবাদে সিলেট মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন। মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- সিলেট মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা সোহেল আহমদ, সহকারী সেক্রেটারী মো: শাহজাহান আলী, জামায়াত নেতা মুফতী আলী হায়দার, চৌধুরী আব্দুল বাছিত নাহির প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ বলেন- সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও ইসলামী আন্দোলনকে দমনের সুদুর প্রসারী ষড়যন্ত্র চলছে। কতিপয় সন্ত্রাসী ধর্মের নামে সন্ত্রাস চালিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে উঠে পড়ে লেগেছে। সরকার তাদের দমন না করে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলকে দমনে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে। আদর্শিক মোকাবেলায় ব্যার্থ হয়ে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যাবহার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনে প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে। সকল দলের অংশ গ্রহনে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার মাধ্যমে সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ নিমুল করতে হবে। অতীতের ন্যায় জাতীয় সংকট নিরসনে জামায়াতে ইসলামী অতন্দ্র প্রহরীর ভুমিকা পালন করছে।

  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট