ঘরের বাতাস ফ্রেশ রাখতে যা যা করবেন

প্রকাশিত: ২:১৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৪, ২০১৬

নীড় ছোট হোক আর বড় হোক সারাদিনের কাজ শেষে সেই স্থানটিতে ফেরার জন্য ব্যাকুল হয়ে থাকেন সবাই। অফিসের খাটুনির পর বিধস্ত শরীরটা চেনা পরিসরে ফিরে এক মুহূর্তেই যেন ফ্রেশ হয়ে যায়।

নিজের বাড়ির জাদুটাই মন ভাল করে দেয় নিমেষে। কিন্তু জানেন কি এই ফ্রেশের জাদু আসলে লুকিয়ে থাকে আপনার বাড়ির ফ্রেশ এয়ারের মধ্যে। অর্থাৎ আপনার বাড়ির পরিবেশ, বাতাস যদি শুদ্ধ না হয় তাহলে বাড়ি ফিরে বিশ্রাম নেওয়া সত্ত্বেও আপনার মধ্যে ফ্রেশনেস আসবে না।

তাই জেনে নিন বাড়ির বাতাস ফ্রেশ রাখতে যা যা করবেন

০১. বাড়ির ভেন্টিলেটর বা ঘুলঘুলি পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। ঘুলঘুলিতে ময়লা, ধুলো, ঝুল জমলে তা বাতাস সঞ্চালনে বাধা সৃষ্টি করে।

০২. বাড়ির বাতাস ফ্রেশ রাখতে সবচেয়ে সহজ উপায় এয়ার পিউরিফায়ার। সারাদিনের কাজের পর বাড়ি ফিরে চারপাশের সুন্দর গন্ধে মনও ভাল হয়ে যাবে আপনার।

০৩.বাজার থেকে ক্লিনিং প্রোডাক্ট কেনার আগে ভেবেচিন্তে কিনুন। কারণ অনেক সময় অজ্ঞতার কারণে আমরা ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করি। যা সাময়িকভাবে ঘর পরিষ্কার করলেও আসলে আমাদের পরিবেশকে বিষিয়ে তোলে।

০৪. নির্দিষ্ট সময় পরপর পাপোস, কার্পেট, ফ্লোর ম্যাট পরিবর্তন করুন। কারণ বহুদিন ধরে একই ফ্লোরিং সামগ্রী ব্যবহার করলে তার মধ্যে জমে থাকা ধুলোয় বাড়ির বাতাস দূষিত হতে পারে। আবার বেশ কিছু সিন্থেটিক ফ্লোরিং ম্যাট রয়েছে যেগুলো বেশিদিন ব্যবহার করলে দূষিত পদার্থ তৈরি করে।

০৫. ডাস্টিং করার সময় চেষ্টা করুন ভেজা অবস্থায় করতে। কোনো জায়গা পরিষ্কার করার আগে ডাস্টার ভিজিয়ে নিলে বাতাসে ধুলো এবং ক্ষতিকর পোলেন মেশে কম। ফলে ফ্রেশ থাকে বাড়ির বাতাস।

০৬. চেষ্টা করুন বাড়ির কার্পেট, পাপোস এবং ফ্লোর ম্যাট নিয়মিত পরিস্কার করতে। কারণ কার্পেটে ধুলোর পাশাপাশি ক্ষতিকর পোলেনও জমে থাকে। যা স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই খারাপ।

০৭. শুধু কার্পেট নয়, নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে জানলা-দরজার পর্দাও। কারণ পর্দার ভাঁজে ভাঁজে জমে থাকে ধুলোর আস্তরণ। যা ঘরের বাতাসকে দূষিত করে তোলে।

০৮. ঘরের ফ্রেশনেস বজায় রাখতে হিউমিডিটি লেভেলের দিকেও নজর রাখুন। অনেক সময় ঠিকমতো ভেন্টিলেশনের অভাবে বাড়ির বাথরুম, রান্নাঘর আর্দ্র হয়ে যায়। ফলে একটা গুমোট ভাব তৈরি হয়। তাই ঘরে ফ্রেশ এয়ারের জন্য ভেন্টিলেশন ঠিক রাখাও অত্যন্ত জরুরি।

  •