দেশে ফিরলে আপিল করবেন তারেক রহমান : খন্দকার মাহবুব

প্রকাশিত: ৩:০৬ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২৩, ২০১৬

অর্থপাচার মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে হাইকোর্টের দেয়া ৭ বছরের কারাদণ্ডের রায়কে ন্যায়বিচারের পরিপন্থি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বিএনপি। দলটির নেতারা জানিয়েছেন তারেক রহমান সময়মতো দেশে ফিরলে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করবেন। গতকাল রাজধানীর নয়াপল্টনস্থ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন।
তারেককে দেয়া কারাদণ্ডকে ন্যায়বিচারের পরিপন্থি উল্লেখ করে তিনি বলেন, হাইকোর্ট একতরফাভাবে এই বিচার করেছেন। তারেক রহমানের পক্ষে কোনো আইনজীবী বক্তব্য রাখতে পারেননি। তারেকের বিরুদ্ধে মামলা রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক উল্লেখ করে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, তাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতেই সরকার মামলাটি দায়ের করে। বাংলাদেশ থেকে একটি পয়সাও বিদেশে যায়নি। খাদিজা ইসলামের বক্তব্য সরকার সরাসরি গ্রহণ করেছে। আদালতও সেটা গ্রহণ করেছে। সেখানে তারেক রহমানের নাম গন্ধ নেই।
খন্দকার মাহবুব আশা প্রকাশ করে বলেন, ইনশাআল্লাহ যখন সময় আসবে, তারেক রহমান এই মাটিতে আসতে পারবেন। তখন আমরা এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবো। এই মামলা সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে হয়েছিল, আপিল করে আমরা তা দেখাতে পারবো। বাংলাদেশে না আসা পর্যন্ত তারেক রহমানের পক্ষে আপিল করা সম্ভব নয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান, সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, এই মামলায় একদিন সুবিচার হবে, তারেক রহমানকে অন্যায়ভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত সরকার সাজা দিয়েছিল দেশের মানুষ তা জানতে পারবে। নিম্ন আদালতের বিচারককে প্রভাবিত করে তারেক রহমান খালাস পেয়েছিলেন-আইনমন্ত্রীর এমন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে খন্দকার মাহবুব হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বিএনপির পক্ষে যদি প্রভাবিত করা যায়, তাহলে সরকার  পক্ষ কতটা প্রভাবিত করতে পারে, কোন্‌ পর্যন্ত যেতে পারে সেটা আপনারা বিবেচনা করবেন।
সরকারের উদ্দেশ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের এই উপদেষ্টা বলেন, এখনও সময় আছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্য আদালতের শরাণাপন্ন না হয়ে  রাজপথে আসুন, রাজপথে ফয়সালা করুন। পেছনের দরজা দিয়ে যদি সাজা দেয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে দেশের আইনের শাসন ধ্বংস হয়ে যাবে, বিচার ব্যবস্থার ওপরে মানুষের আস্থা হারিয়ে যাবে। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আ স ম হান্নান শাহ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সহ-সভাপতি চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, আবদুল্লাহ আল নোমান ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ।

  •  

সর্বমোট পাঠক


বাংলাভাষায় পুর্নাঙ্গ ভ্রমণের ওয়েবসাইট