আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড, ছাত্রলীগ বলল অনাকাঙ্খিত, স্থায়ী বহিষ্কার ১১ নেতা

রাজনীতি

আবরার ফাহাদ হত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ১১ নেতা স্থায়ীভাবে বহিষ্কার হয়েছেন।

সোমবার (৭ অক্টোবর) ১১ নেতাকে বহিষ্কারের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানায় কেন্দ্রী ছাত্রলীগ। একইসঙ্গে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকে অনাকাঙ্খিত ঘটনা বলে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি।

এর আগে বিকালে ফাহাদ হত্যার ঘটনায় ছাত্রলীগ তদন্ত কমিটি গঠন করে। দুই সদস্যের এ কমিটি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দেবে বলেও জানায় ছাত্রলীগ।

সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, আবরার ফাহাদ হত্যার সঙ্গে ছাত্রলীগের কেউ জড়িত থাকলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা পেলে ছাড় দেওয়া হবে না।

তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন- সংগঠনটির সহ-সভাপতি ইয়াজ আল রিয়াদ ও সাহিত্য সম্পাদক আসিফ তালুকদার।

এ দিকে, ফাহাদ হত্যার ময়না তদন্তের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ফাহাতের পুরো শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। রক্তক্ষরণ ও ব্যথার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে ফাহাদের ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়। ঢামেকের ফরেনসিক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ লাশের ময়না তদন্ত করেন।

এ দিকে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় জানান, ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই জনকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পেয়েছি। এটি যে হত্যাকাণ্ড সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। সিসিটিভি ফুটেজ আমাদের কাছে রয়েছে। ইতোমধ্যে দুজনকে আটক করা হয়েছে। তারা হলের শিক্ষার্থী। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

রবিবার (৬ অক্টোবর) রাত ৩টার দিকে বুয়েটের শেরে বাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে আবরারের মরদেহ উদ্ধার করেছে কর্তৃপক্ষ।

  •  
  •  

Leave a Reply