‘অফিসার্স রাজ্জাক’ মদের চালানসহ ফের আটক

সিলেট বিভাগ

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের তালিকাভুক্ত সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আবদুর রাজ্জাক ওরফে ‘অফিসার্স রাজ্জাক’ বিদেশি মদ বিয়ারের চালানসহ ফের পুলিশের হাতে আটক হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে উপজেলার কামড়াবন্দ গ্রামে পুলিশ ব্লক রেইড দিয়ে তাকে আটক করে।

উল্লেখ্য যে, অতীতে বিভিন্ন সময়ে ভারতীয় অফিসার্স চয়েজ মদের বোতল বিক্রেতা হিসাবে মাদকসেবীদের নিকট বিশেষভাবে পরিচিত ‘অফিসার্স রাজ্জাক’ ও তার সহযোগীরা বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদের চালান সহ কমপক্ষে ১০/১২ বার পুলিশের হাতে আটক হয়েছে।

আটক রাজ্জাক উপজেলার বাদাঘাট উওর ইউনিয়নের কামড়াবন্দ গ্রামের মৃত হাছেন আলীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিক্তিত্বে ওসির নেতৃত্বে তাহিরপুর থানা ও বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা কামড়াবন্দ গ্রামে রাজ্জাকের বাড়িতে মাদক বিক্রয়কালে সোমবার মধ্যরাতে ব্লক রেইড দিয়ে তল্লাশী চালান।

রাতভর তল্লাশী শেষে মঙ্গলবার ভোররাতে গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে রাজ্জাকের বসতবাড়িতে থাকা পুকুরের পানির নিচে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ করা হয়।

অভিযানে বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আমির উদ্দিন, এএসআই জহির উদ্দিন সহ ফাঁড়ি ও থানা পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন।

অভিযানে চলাকালে রাজ্জাকের মাদক ব্যবসায় জড়িত পরিবারের অন্য সহযোগীরা ও বহিরাগতরা কৌশলে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।

এদিকে এলাকার লোকজনের মধ্যে গুঞ্জন বইছে ১৩ বারেরমত সোমবার মধ্যরাত থেকে মঙ্গলবার ভোররাত অবধি পুলিশী অভিযানে বিদেশি মদ বিয়ার উদ্ধারের ঘটনায় থানায় বরাবরের মত শুধু রাজ্জাকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হলেও রহস্যজনক কারনে রাজ্জাকের মাদক ব্যবসার অন্যতম সহযোগী তার স্ত্রী জুবেদা খাতুন (৪২), ছেলে জাহাঙ্গীর (২৯) ও ছেলের স্ত্রী মীরা খাতুন (২৫) ও অন্যান্য সহযোগীদের থানা পুলিশ মামলায় আসামী করেননি।

তাহিরপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান জানান, দ্বীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশী সময় ধরে রাজ্জাক এলাকায় এবং এলাকার বাহিরে নিজস্ব এজেন্ট নিয়োগ করে বিদেশি মদ গাঁজার ব্যবসা করে আসছিলো।

  •  
  •  

Leave a Reply